নিজস্ব প্রতিবেদক :
বর্তমান মহাজোট সরকার দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকেই আন্দোলনের হম্বিতম্বি করছে বিএনপি। বিএনপির শীর্ষ নেতারা যেন আরো এক কাঠি সরেস। প্রতি ইদের পূর্বেই তারা “ইদের পরে তুমুল আন্দোলন’ এর হুমকি দিচ্ছেন। কিন্তু ইতোমধ্যে পেরিয়ে গেছে প্রায় ২০ টি ঈদ। ব্যাপক সফলতার সাথে, জনসমর্থন নিয়ে প্রায় ১০ বছর পার করছে সরকার।
কিন্তু বিএনপির সেই আন্দোলন সীমাবদ্ধ রয়েছে “এসি রুমে বসে বিবৃতি পাঠেই’। মাঝেমধ্যে অবশ্য ভোরবেলা রুহুল কবীর রিজভীকে ফুটবল টিমের সমান সংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে রাস্তায় নামতে দেখা যায়। এই যাত্রাপালাকে অবশ্য জনগণ “রিজভীর মর্নিং ওয়াক” হিসেবেই দেখছেন।
সরকার এগিয়ে চলছে অদম্য গতিতে। বিপরীত দিকে ভাঙাচোরা, মলিন অবস্থা বিএনপির। দুর্নীতিতে জর্জরিত দলটির চেয়ারপারসন এতিমের টাকা চুরির দায় মাথায় নিয়ে খাটছেন জেল। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান সন্ত্রাস, দুর্নীতির মামলার কলংককে সঙ্গী করে হয়েছেন ফেরারী।
বিএনপির অধিকাংশ শীর্ষস্থানীয় নেতা বয়সের ভারে দিশেহারা, অপকর্মের দায়ভার না নিতে আগ্রহী সকলেই। গোটা দেশেই সাংগঠনিভাবে নড়বড়ে অবস্থা দলটির। এমনকি তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরকেও দল ছাড়তে চাপ দিচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা।
সাফল্যমণ্ডিত এই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কোন ইস্যুও নেই বিএনপির হাতে। অপরদিকে নিজেদের আমলের সন্ত্রাস, দুর্নীতি, অনিয়ম, কেলেংকারীতে এখনও জনতার আদালতের মুখোমুখি বিএনপি। পাপের প্রায়শ্চিত্ত যেন শেষই হচ্ছে না।
তাই, তথাকথিত “ঈদের পরের আন্দোলন” যে দেশবাসীর চর্মচক্ষে ইহজিন্দেগীতেও দেখার সম্ভাবনা নেই, সেকথা হলফ করেই বলা যায়।