Main Menu

বাড়ছে রহস্য! নিজের সম্পর্কে কিছুই বলতে পারছেনা উদ্ধার হওয়া তরুনী

জসিম উদ্দিন,শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরা-শ্যামনগরের যাত্রীবাহী বাসে অপরিচিত এই মেয়েটিকে নিয়ে বাড়ছে রহস্য! কথা বলতে পারছে না, বলতে পারছে না নাম-ঠিকানা কিছুই। পুলিশের ধারণা, মেয়েটিকে নেশাজাতীয় কোনো দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করা হয়েছে। গতকাল রাত ৮টায় সাতক্ষীরা থেকে শ্যামনগরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসে ছিল মেয়েটি। পাশের ছিটে ছিলেন শ্যামনগরের ইসমাইলপুর এলাকার রব্বানী ব্যাপারির স্ত্রী সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য সুফিয়া বেগম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শ্যামনগর গাড়ি পৌঁছানোর পর মেয়েটি কান্নাকাটি করতে থাকে। নাম-পরিচয় কিছুই বলতে পারছে না সে। পরবর্তীতে সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য সুফিয়া বেগম মেয়েটিকে তার বাড়িতে নিয়ে যান। আজ শুক্রবার মেয়েটিকে নেয়া হয় শ্যামনগর থানায়।
বতর্মানে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে সমাজ সেবা কর্মকর্তার সহযোগিতায় শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
শ্যামনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মেয়েটি কথা বলতে পারছে না। তবে সে লেখা পড়তে পারছে বলে জানা গেছে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা মতে মেয়েটি পূর্বের সব স্মৃতি হারিয়েছে। তার পরিচয় কোন কিছু জানা যায় নি।
এই মেয়েটির পরিচয় জানলে অতি জরুরি যোগাযোগ করার জন্য জানানো হয়েছে । যোগাযোগের ঠিকানা শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সমাজ সেবা অফিসার শেখ শহীদুল ইসলাম মোবাঃ ০১৯১৬- ৩৩৬৭০৬।
বিভিন্ন আলামত থেকে ধারনা করা হচ্ছে সে ঢাকা জেলার বাসিন্দা। সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ইসমাইলপুর গ্রামে বাস থেকে অসহায় অবস্থায় বাস থেকে নামতে দেখতে পায় স্থানীয় প্রাপ্তন মহিলা মেম্বর মর্জিনা খাতুন ঝরনা। তিনি মেয়েটির কাছে গিয়ে তার নাম পরিচয় জানতে চায় কিন্তু সে কথা বলতে পারছে না। ফলে তিনি এমপি কে জানায়। তখন তিনি থানায় পাঠানোর জন্য বলেন। এবং তাকে তিনি থানায় দিয়ে আসেন।
তারপর শ্যামনগর থানা পুলিশ তার চিকিৎসার জন্য শ্যামনগর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ২ জন মহিলা পুলিশ ও শ্যামনগর সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা মেয়ে টিকে দেখা শুনা করছেন।
মেয়েটি এখন শ্যামনগর সমাজ সেবা অফিসার শেখ শহীদুল ইসলাম এর দায়িত্বে আছে। তিনি বলেন, মেয়েটি সম্ভাবত কোন পাচার চক্রের হাতে পড়ে ছিলো সে কিছু বলতে পারছেনা। মনে হচ্ছে যে তাকে কেউ কিছু খাইয়েছে। তিনি জানান, মেয়েটির কাছে ২০০০ টাকা ও একটি হাত ঘড়ি পাওয়া যায়। শ্
যামনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে মেয়েটিকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করা হয়েছে। নাম-পরিচয় কিছুই বলতে পারছে না মেয়েটি। থানায় নিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে উপজােলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও সমাজসেবা অফিসারকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে মেয়েটির।সুস্থ হলে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান ওসি।
এছাড়া যদি কেউ মেয়েটিকে চেনেন বা পরিচয় জানেন তাহলে শ্যামনগর থানায় (০১৭১৩-৩৭৪১৪৫) যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করেছেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *