Main Menu

নোয়াখালী কৃতি শিল্পউদ্যোক্তা পারটেক্স গ্রুপের শওকত আজিজ রাসেল আটক

বাংলার দর্পন  ডেস্ক-

নোয়াখালীর কৃতি শিল্পউদ্যোক্তা, পারটেক্স গ্রুপের অন্যতম পরিচালক এবং আম্বার গ্রুপের এমডি ও চেয়ারম্যান শওকত আজিজ রাসেলকে মধ্যরাতে আটক করে নিয়ে গেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার রাত পৌণে ৩টার দিকে গুলশানের বাসা থেকে দুদকের একটি টিম তাকে আটক করে। বর্তমানে তাকে রমনা থানায় রাখা হয়েছে। দুদক টিমও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে: কমিশনার হয়রানিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে আটক করা হয়েছে বলে মনে করে আম্বার গ্রুপ। গ্রুপের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাকে আগে কোনো অভিযোগের প্রেক্ষিতে নোটিশও দেয়া হয়নি। হঠাৎ করে মধ্যরাতে অসুস্থ অবস্থায় একজন শিল্পপতিকে ধরে নিয়ে যাওয়া উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং অমানবিক। শওকত আজিজের পারিবারিক সূত্র জানায়, তিনি রাজউক থেকে পাঁচ কাঠা করে মোট ১০ কাঠার দুটি প্লট বরাদ্দ নেন। এসব প্লটের কিস্তি নিয়মিতভাবে পরিশোধও করে আসছিলেন। কিন্তু একপর্যায়ে এসে কিস্তি দিতে পারেননি। পরে রাজউক তাকে নোটিশ দিয়ে জানায় ১০ শতাংশ সুদ কিস্তি পরিশোধ করতে হবে। এর পর সেভাবেই কিস্তি দিতে থাকেন। এর পর আবার কিস্তি দেয়া বন্ধ করে দেন। রাজউক আবার তাকে নোটিশ দেয়। ওই নোটিশে ২০ শতাংশ সুদসহ কিস্তি পরিশোধ করতে বলা হয়। সে অনুয়াযী কিস্তি দিতে থাকার এক পর্যায়ে আবারো বন্ধ হয়ে হয়ে গেলে দুদুক মামলা করে। বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় মতিঝিল থানায় মামলা করে ওইদিন রাতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শওকত আজিজের আইনজীবী বলেন, “কিস্তি পরিশোধ না করলে প্লট বরাদ্দ বাতিল করতে পরে। নোটিশ দিতে পারে। মামলা করাটা বিস্ময়কর। দুদক এর কখনো শুনানির জন্যও ডাকেনি।” দুদক প্রতিষ্ঠার পর এ কমিশনের কর্মর্কতাদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযানের নামে সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হলে হয়রানির অভিযোগও রয়েছে। এ জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন একবার হুঁশিয়ারও করেছেন। গত অক্টোবরে এক অনুষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, “দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তারা অভিযানের সময় সুবিধা চেয়ে না পেয়ে ডিস্টার্ব করলে অসুবিধা আছে।”






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *