Main Menu

নবাবগঞ্জ উপজেলার সামাজিক বনের ধারে দুইটি অবৈধ ভাটা গুড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

 

 

মোঃ আফজাল হোসেন,  দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের দক্ষিণাঞ্চলের সামাজিক বন বিভাগের পরিবেশ ঠিক রাখার লক্ষ্যে নবাবগঞ্জ উপজেলার সংরক্ষিত বনের ধারে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা ১২টি ইটভাটার মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ বজলুর রশীদ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে বন বিভাগ এবং পুলিশের সহযোগিতায় ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ আর এ এবং আর এ আর নামের দুটি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে। এআরএ ইটভাটাটি নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মোঃ সোহেল রানার এবং আরএআর ইটভাটাটি জনৈক মোঃ রফিকুল ইসলামের। এছাড়াও অভিযানে সড়কের উপরে তৈরী মোঃ সোহেল রানার ইটভাটার একটি ইটের ঘরও গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

নবাবগঞ্জ বিট কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সংরক্ষিত সামাজিক বনের ধারে ইটভাটা রয়েছে ১২টি। ভাটা গুলো হলো নবাবগঞ্জ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রহিম বাদশার এমআরটি ব্রিকস, লিয়াকত আলীর এমএমবি ব্রিকস, হাসান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের এমবিএম ব্রিকস, শফিকুল ইসলাম ওরফে ডলারের এসএনএম ব্রিকস, মো. রতনের আরএমএ ব্রিকস, মোহাম্মদ আলীর এমবি ব্রিকস, মো. মুশফিকুর রহমানের আরটিবি ব্রিকস, সোহেল রানার এএসএম ব্রিকস, এবং আমিনুল ইসলামের সততা ব্রিকস, জনৈক রফিকুল ইসলামের ভাটা, মোজাম্মেল হক ওরফে মিঠু মিয়ার ভাটা এবং মহাসীন আলী ও ডাবলুর যৌথ জনৈক রফিকুল ইসলামের ভাটা, এর মধ্যে মোজাম্মেল হক ওরফে মিঠু মিয়ার ভাটা এবং মহাসীন আলী ও ডাবলুর যৌথ মালিকানায় নির্মিত ভাটা মালিকানায় নির্মিত ভাটা এবছর চিমনি দিয়ে তৈরী করা হয়। মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে এলাকায় দেখা যায়, ইউপি সদস্য মোঃ সোহেল রানা এবং রফিকুল ইসলামের ভাটায় কাঠ পুড়িয়ে চিমনি ভাটাতে ইট তৈরী করা হচ্ছে। প্রশাসনের লোকে যেতে দেখে ভাটার লোকজন পালিয়ে যায়। প্রশাসনের নিয়ে যাওয়া এক্সাভেটর যন্ত্র দিয়ে দুটি ভাটা গুড়িয়ে দেওয়া হয়। ভাটার পার্শ্বে রাখা বিপুল পরিমান কাঁচা ইটগুলোও নষ্ট করা হয়।

ইউএনও জানান, জনপ্রতিনিধি হোক আর প্রভাবশালীই হোক দ্রুত উপজেলার সবগুলো অবৈধ ইটভাটাই গুড়ে দেওয়া হবে। অভিযানে উপস্থিত বন বিভাগের নবাবগঞ্জ বিট কর্মকর্তা নিশিকান্ত মালাকার জানান, নবাবগঞ্জে জনপ্রতিনিধিসহ প্রভাবশালীরা গত কয়েক বছর ধরে একের পর এক অবৈধ ইটভাটা গড়ে তোলায় ইটভাটায় বনের গাছ চুরি করে কাঠ পোড়ানো হচ্ছিলো। এতে বন বিভাগের হাজার হাজার গাছ চুরি ঠোকানো যেতো না। ঐ প্রভাবশালীরা শক্তিশালী হওয়ায় বনের গাছ কেটে চোরেরা নিয়ে গিয়ে সেখানে বিক্রি করত। ফলে এলাকায় পরিবেশের মারাতœক ক্ষতি হওয়ার সম্মুখীন ছিল। এ কারণে অবৈধ ইট ভাটা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছিলাম।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *