নিউজ ডেস্ক :
সরকারি চাকরির কোটার ক্ষেত্রে কিছু শিক্ষার্থীদের মধ্যে দ্বিধা- দ্বন্দ্ব ছিল বহু দিনের। তাদের মতে কোটার ফলে দেশের মেধাবীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয় না। এজন্য তারা একত্রিত হন কোটা সংস্কারের জন্য। তারা বেশ কয়েকদিন তাদের ক্লাস, পরীক্ষা বর্জন করে রাজপথ অবরুদ্ধ করে রাখে। এই রাজপথ অবরোধের জন্য সাধারণ জনগণ এবং শিক্ষার্থী উভয়ই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। তাদের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী এর ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন। তিনি সরকারি চাকরি থেকে কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর এই সিদ্ধান্তে ইতিবাচক সাড়া দেয় দেশের ছাত্র সমাজ। তারা পুনরায় তাদের ক্লাসে ফিরে যান। সাধুবাদ জানান তাঁর এই অভিনব সিদ্ধান্তে। বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে কোটা পদ্ধতি বাতিল প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কিন্তু বিএনপি এই স্বচ্ছ সিদ্ধান্তকে বার বার প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিএনপির নেতা কর্মীদের ইন্ধনে কিছু শিক্ষার্থী বিশেষ করে ছাত্রদল সমর্থিত শিক্ষার্থীরা আবার রাজপথে নেমে আসে। বিএনপির ইশারায় শুরু হয় আবার বিশৃঙ্খলতা। বর্তমানে কোটা আন্দোলনের নেপথ্যে রয়েছে বিএনপি। বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থা চাঙ্গা রাখতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদেরকে দিয়ে তারা এই ভিত্তিহীন কর্মকান্ড করছে। কোটা আন্দোলনের নামে তারা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে অস্থির করে তুলছে।
সম্প্রতি নুরুল্লাহ নূর নামে এক প্রাক্তন সক্রিয় শিবির কর্মীর মাধ্যমে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে কোটা আন্দোলনের নামে বিএনপির ভিত্তিহীন আন্দোলন। মোট কথা, বিএনপির বর্তমান সব নেতাকর্মীরা আছে তাদের আখের গুছানোর ধান্দায়। মাঠ চাঙ্গা করার মতো কোনো নেতাকর্মীরা নেই বললেই চলে। তাই তারা শিবির, ছাত্রদলের মাধ্যমে ভিত্তিহীন কোটা আন্দোলনের মাধ্যমে বারবার অরাজকতা সৃষ্টি করছে। নষ্ট করছে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার পরিবেশ।