ফেনী প্রতিনিধিঃ
ফেনীতে ঢাকা- চট্রগ্রাম মহাসড়কে দ্রুত যানজট নিরসনে করণীয় বিষয়ে ফেনী সার্কিট হাউজে সড়ক, পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের চট্রগ্রাম বিভাগের আইন শৃংখলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সাথে বিশেষ আলোচনা।
রোববার (২৭ মে) দুপুরে ফেনী সার্কিট হাউজে ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কে আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে যানজট নিরসনে আয়োজিত মতবিনিময় সভার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের একথা বলেন।
এর আগে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী বলেন, ঈদের আগের ১০ দিন এবং ঈদের পরের পাঁচদিন সড়ক-মহাসড়কে কোনো খোঁড়াখুঁড়ি চলবে না। ঈদের আগের তিনদিন মহাসড়কে ভারী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে এর আওতামুক্ত থাকবে ওষুধ, তেল, গার্মেন্টস ও পচনশীল দ্রব্যসামগ্রী।
মন্ত্রী এসময় পরিবহন মালিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় নামাবেন না। দেখা যায় শুধু রং লাগিয়ে কিছু গাড়ি নামানো হয়। এমন গাড়ি রাস্তায় নামালে একটি গাড়ির জন্য ১শ’ কিলোমিটার যানজট হয়। আর তা মোকাবিলা করতে হিমশিম খেতে হয়।
এসময় পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী আরও বলেন, রাস্তায় কোনভাবেই রং সাইড দিয়ে পরিবহন চলতে দেওয়া যাবে না। কোনো মন্ত্রী-এমপিও যদি রং সাইড দিয়ে যায় তাহলে তারও জরিমানা করতে হবে।
মহাসড়কের টোল প্লাজার ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, টোল প্লাজাগুলোর সিস্টেমটাই যানজটের অন্যতম কারণ। এ সিস্টেমটাকে আরও সহজ ও দ্রুতগামী করলে যানজট অনেকাংশেই কমে যাবে।
ঢাকা-টাঙ্গাইল রুটের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ঈদের আগেই এ রুটে ২২টি ব্রিজ উদ্বোধন করা হবে।
এ মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- ফেনী ২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জাহানারা বেগম সুরমা, সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি এসএম মনির-উজ-জামান, ফেনী জেলা প্রশাসক মনোজ কুমার রায়, পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহমান বিকম,পরিবহন মালিক, শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের নেতা ও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।