Main Menu

জলদস্যু ও বনদস্যু তিনটি বাহিনীর ৫৭ সদস্যের আত্মসমর্পণ | বাংলারদর্পন 

নিউজ ডেস্ক : র‍্যাব-৬ খুলনার সদর দপ্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু, বনদস্যু বাহিনীর প্রধানসহ তিনটি বাহিনীর ৫৭ জন সদস্য অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করছে আজ বুধবার (২৩ মে) দুপুরে। খুলনার লবণচরায় র্যাব-৬ এর সদর দপ্তরে নিজেদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন তারা।

জানা যায়, খুলনা অঞ্চলের তিন দস্যু বাহিনী সুন্দরবনের শ্যামনগর, মংলা, আন্দার মানিক, হারবাড়িয়া, কলাগাজি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জেলে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায় করতো। বনের ওপর নির্ভরশীল সাধারণ মানুষ রীতিমতো তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছিল। তাদেরকে মাসোহারা দিয়ে জেলে-মৌয়ালদের বনে প্রবেশ করতে হতো। এমনকি বনরক্ষীরাও তাদের কাছে নিরাপদ দূরত্বে থাকতো। তবে সাম্প্রতিক র্যাবের বেশ কয়েকটি সফল অভিযানে পর দস্যুদের দৌরাত্ম্য কমতে থাকে। একই সঙ্গে সরকারের সাধারণ ক্ষমার আওতায় এসব দস্যুরা আত্মসমর্পণের পথ খুঁজতে শুরু করে।

এক পর্যায়ে কয়েকটি গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সঙ্গে দস্যুদের যোগাযোগ হয়। তাদের মধ্যস্থতায় র্যাব কর্মকর্তাদের সঙ্গে দস্যুদের মুঠোফোনে কয়েক দফা আলাপ হয়। দুপক্ষের আলোচনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেয় তিন দস্যু বাহিনী।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনা অঞ্চলের তিন দস্যুবাহিনী সুন্দরবনের শ্যামনগর, আড়পাঙ্গাসিয়া, মোংলা, আন্ধারমানিক, হারবাড়িয়া, কলাগাছি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জেলে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায় করত। বনের ওপর নির্ভরশীল সাধারণ মানুষ রীতিমতো তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছিল। তাদের মাসোয়ারা দিয়ে জেলে-মৌয়ালদের বনে প্রবেশ করতে হতো। এমনকি বনরক্ষীরাও তাদের থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকত। তবে সাম্প্রতিক র্যাবের বেশ কয়েকটি সফল অভিযানে পর দস্যুদের দৌরাত্ম্য কমতে থাকে। একই সঙ্গে সরকারের সাধারণ ক্ষমার আওতায় এসব দস্যু আত্মসমর্পণের পথ খুঁজতে শুরু করে। যার ধারাবাহিকতায় ইতোপূর্বে ২১৭ জন জলদস্যু আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *