Main Menu

রমজানের মহিমা এবং এর পবিত্রতা রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপ | বাংলারদর্পন

নিউজ ডেস্ক :

ইসলামের প্রধান পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম একটি স্তম্ভ হল রোজা। আরবী ১২ মাসের মধ্যে সব থেকে বরকতের মাস হচ্ছে রমজান মাস। এই রমজান মাসের বরকতের উছিলায় এক মাসের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালা কবরের আজাব বন্ধ রাখেন।

রমজানের এই মর্যাদা ও গুরুত্ব সর্ম্পকে মহাগ্রন্থ আল কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, রমজান মাস হতে কুরআন নাজিল করা হয়েছে, মানুষের জন্য পথনির্দেশ, সৎপথের সুস্পষ্ট নিদর্শন এবং হক ও বাতিলের পার্থক্যকারী হিসাবে। (বাকারা:১৮৫) এই আয়াতে দু’টি বিষয় নির্দেশিত হয়েছে। আল-কুরআন নাজিল হয়েছে রমজান মাসে এবং মানবজাতির পথ নির্দেশিকা হচ্ছে আল-কুরআন।

পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে জানা যায়, পবিত্র রমজান উপলক্ষে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিক্রয়ের লক্ষ্যে টিসিবি’র মাধ্যমে স্থানীয় বাজার থেকে ক্রয় এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানি করে চিনি, ছোলা, সয়াবিন তেল ও খেজুর সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। চলতি বছর ১৫ মে থেকে সারাদেশে ১৮৫টি ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রয় করা হয়েছে।

রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সব প্রস্তুতি নিয়েছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ- টিসিবি। রমজানের আগেই সারা দেশে নিজস্ব ডিলার ছাড়াও বিভাগীয় ও জেলা সদরে নিজস্ব ট্রাক এবং নিজস্ব খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে মসুর ডাল, চিনি, ছোলা, ভোজ্য তেল ও খেজুর বিক্রি শুরু করেছে টিসিবি।

অপ্রিয় হলেও সত্য রমজান মাস আসলেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বিভিন্ন অবৈধ পন্থা অবলম্বন করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করে। এবার এই সব অসাধু ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জানা যায় এবার সিটি কর্পোরেশন এবং জেলা পর্যায়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। এ টিমগুলো ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধকরণ ও অসাধু ব্যবসায়ীদের দমনে প্রয়োজনে জরিমানাসহ অন্যান্য শাস্তি আরোপ করবে।

সারাদেশে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা চলমান থাকবে। এ সকল মোবাইল কোর্ট অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতারোধে জরিমানা এবং বিভিন্ন আইনানুগ শাস্তির মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা করবে।

এছাড়া জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। রমজান মাস ও ঈদ উপলক্ষে সড়ক, নৌ ও রেলপথ যানযাজটমুক্ত রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

ভ্রমণ নিরাপদ রাখার লক্ষ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, মহাসড়কে যানজট মুক্ত রাখার জন্য অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন, বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশিসহ জনবহুল এলাকায় সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, স্থানীয় দুষ্কৃতিকারী বা ছিনতাইকারীদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

রমজান মাসে জনগণের নিরাপত্তার জন্য বাজার, শপিং মল, বিপণি বিতান, মার্কেট, বাস টার্মিনাল ও লঞ্চ টার্মিনালে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, বোমাবাজি, নাশকাতমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধসহ নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিবারাত্রি পুলিশি টহল এবং নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *