Main Menu

বিএনপি থেকে পদত্যাগের পরিকল্পনা করছেন খন্দকার মোশাররফ !

নিউজ ডেস্ক :

দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, তারেকের পাসপোর্ট কেলেঙ্কারী, এতিমের টাকা আত্নসাৎ করে দলীয় চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড সহ অগণিত সমস্যায় জর্জরিত বিএনপি। আইনি যুক্তিতে নিকট ভবিষ্যতে খালেদার মুক্তির কোনো সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। দলের সিনিয়র নেতাদের মতবিরোধের জের ধরে রাজপথেও নিষ্ক্রিয় বিএনপি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপির বিলুপ্ত হওয়াটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। এমতাবস্থায় অনেক সিনিয়র নেতার বিরুদ্ধেই দল ত্যাগ করার পরিকল্পনার খবর শোনা গেছে। নিজেদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বাঁচাতেই মূলত দল ত্যাগের পরিকল্পনা করছেন বলে জানা যায়।

দল ত্যাগ করার পরিকল্পনাকারীদের দলে নতুন সংযোজন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খন্দকার মোশাররফের এক নিকটাত্মীয়ের বরাত দিয়ে জানা যায়, দল এবং দলের বিভিন্ন ইস্যু বিবেচনায় নিয়ে অনেক দিন ধরেই নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বাঁচানোর জন্য দল ত্যাগের পরিকল্পনা করছিলেন খন্দকার মোশাররফ। মোশাররফ তার পরিবার এবং নিকটাত্মীয়দের সাথে দল ত্যাগের বিষয়ে পরামর্শ করেন বলেও জানা যায়।

বিএনপি থেকে পদত্যাগের কারণ হিসেবে পারিবারিক বৈঠকে তিনি জানান, বিএনপি এখন রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে, দলের প্রধান দুই কর্ণধার চেয়ারপার্সন খালেদা এবং সিনিয়র ভাইস চেয়ারপার্সন তারেক উভয়ই বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এবং আইনি বিবেচনায় তাদের নিকট সময়ে মুক্তি সম্ভব না, বিএনপিতে তারেকের একক আধিপত্য থাকায় সিনিয়র নেতাদের মতামতের খুব একটা মূল্যায়ন করা হয় না, তারেক রহমানের সাথে মতবিরোধ হলে তার কাছে অপমান হতে হয় অনেক সময়, দলীয় কোন্দলের কারণে রাজপথের আন্দোলনে সকল নেতা কর্মীদের সম্পৃক্ত করতে না পারায় সরকার এবং মানুষের কাছে আন্দোলনের গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। সব শেষে তিনি জানান, এমতাবস্থায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপির পুনরায় সক্রিয় হয়ে ক্ষমতায় বসতে পারার সম্ভাবনা নাই বললেই চলে।

উল্লেখিত কারণগুলো বিবেচনায় নিয়ে খন্দকার মোশাররফ বিএনপির রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে জানা যায়| তবে বিএনপির রাজনীতি ত্যাগ করে তিনি কোন দলে যোগ দিবেন সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানা যায়। ছাত্র জীবনে যেহেতু এক সময় ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে খন্দকার মোশাররফ যুক্ত ছিলেন তাই তাকে আওয়ামী লীগে যোগদান করার পরামর্শ দেন তার স্ত্রী।

উল্লেখ্য, খন্দকার মোশাররফের রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয় মূলত কলেজ জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যোগদানের মাধ্যমে । ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম সরকারী কলেজে পড়া অবস্থায় ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে কলেজ ছাত্রলীগে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ত্বও পালন করেন বলে জানা যায় । আরো জানা যায় তিনি ১৯৬৭-৬৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সলিমুল্লাহ মুসলীম হলের সহকারী সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *