Main Menu

বিএনপি বহু শিল্প -কারখানা বন্ধ করে বেকারত্ব সৃষ্টি করেছিল

নিউজ ডেস্ক : বিএনপি সরকার মানুষের কর্মসংস্থান বন্ধ করে- এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীনতার পর বিএনপি ক্ষমতায় আসলে ক্রমান্বয়ে দেশের পাটকলগুলো বন্ধ করে দেয়। বিএনপি ক্ষমতায় এসে পাটকল বন্ধে বিশ্বব্যাংকের সাথে চুক্তিও করেছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে সেগুলো আবার চালু করে।

জাতীয় পাট দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (৬ মার্চ) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পাট পণ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

এ সময় পাট নিয়ে রচনা প্রতিযোগিতায় সেরা ৬ জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। তাছাড়া বস্ত্র ও পাটশিল্পে বিশেষ অবদান রাখায় ১১ ক্যাটাগরিতে মোট ১২ জনকে পুরস্কার দেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, বিএনপি সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে যাওয়া পাটকলগুলো ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে খুলে দিতে শুরু করলাম। এরপর ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে আদমজী জুট মিল বন্ধ করে দিলো। যেখানে ২৫ হাজার শ্রমিক কর্মরত ছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, পূর্বে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম মাধ্যম ছিল পাট। আমাদের উৎপাদিত পাট বিক্রি করে পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নয়ন হতো। এতে তাদের ভাগ্য পরিবর্তন হলেও পরিবর্তন হয়নি বাংলার ভাগ্যন্নয়নের চাকা। এসব কারণে সেসময় বঙ্গবন্ধু প্রতিবাদ করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পরপরই সব বন্ধ কলকারখানা খুলে দিয়ে তা জাতীয়করণ করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটাকে যখনই জাতির পিতা সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিক তখনই তাকে হত্যা করা হয়।

অন্যান্য শিল্পের মতো পাট শিল্পও প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার পরিহিত শাড়ি, ব্যবহৃত জুতা ও সঙ্গে থাকা ব্যাগটি পাটের বলে জানান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফয়জুর রহমান চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী ও বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী মুহম্মাদ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *