Main Menu

খুলনায় ‘নৌকার জয়, বাংলার জয়’ স্লোগানে খালেকের পক্ষে গণজোয়ার বইছে 

নিউজ ডেস্ক :

দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতি এবং অর্থনীতির আঁতুরঘর বলে পরিচিত খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন নগরবাসীর দরজায় কড়া নাড়ছে। আগামী ১৫ই মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকেই নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় সরগরম খুলনা নগরী। বিভিন্ন সভা সেমিনারে নগরবাসীর সাথে মতবিনিময় করে ব্যস্ত সময় পার করছেন মেয়র প্রার্থীরা। নির্বাচন পরবর্তী বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন তারা।

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক সফল মেয়র এবং দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতির স্তম্ভ বলে পরিচিত আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপ্রাপ্ত তালুকদার আব্দুল খালেক প্রতীক বরাদ্ধের পরপরই ‘নৌকার জয়, বাংলার জয়’ নির্বাচনী স্লোগানকে সামনে রেখে খুলনা নগর আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতাকর্মীসহ নগরীর সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

খুলনা সিটিকে তালুকদার আব্দুল খালেক জলাবদ্ধতা মুক্ত, আধুনিক এবং সকল নাগরিক সুবিধা সম্বলিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছেন। খালেকের নির্বাচনী ইশতেহারকে খুলনা নগরীর জন্য যুগোপোযুগী এবং ইশতেহারে নগরবাসীর শতভাগ আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে বলে মত দেন নগরীর অধিকাংশ বিশিষ্টজনেরা।

নগরবাসীর সাথে নির্বাচন বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে জানা যায়, প্রার্থীদের অতীত ইতিহাস এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের দক্ষতাকে বিবেচনায় নিয়ে ব্যালট বাক্সে তাদের সিদ্ধান্তের প্রতিফলন ঘটাবেন। সেই দিক বিবেচনায় সততার সাথে দায়িত্ব পালন করা সাবেক ত্রান প্রতিমন্ত্রী এবং সাবেক সফল মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় অনেক এগিয়ে আছেন।

নগরবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায় গত ৫ বছরে বিএনপির মেয়রের আমলে চোখে পড়ার মতো তেমন কোনো উন্নয়নই হয়নি। খুলনায় যতটুকু উন্নয়ন চোখে পড়ে তার সবই খালেকের আমলে। খালেকের রেখে যাওয়া উন্নয়ন কর্মকান্ড গত ৫ বছরে মুখ তুবড়ে পরে ছিল। খুলনার উন্নয়ন কর্মকান্ড পুনরায় চালু করার জন্য তালুকদার আব্দুল খালেকের কোনো বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেন অধিকাংশ নগরবাসী। নগরবাসী আরো জানান মেয়র থাকাকালীন সময়ে খালেক খুলনা নগরীর জন্য রেকর্ড পরিমান বরাদ্দ নিয়ে এসেছিলেন তাঁর পক্ষের আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকায়।

অন্যদিকে বিএনপি থেকে মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু দলীয় অন্তঃকোন্দলের জের ধরে নগর বিএনপির সকল নেতা কর্মীদের পাশে না পাওয়ার কারণে বিপাকে আছেন বলে নগরবাসী জানান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির অনেক নেতাকর্মীদের মতে ২০১৬ সালের দিকে দলে অন্তঃকোন্দল তৈরী করে যে ভুল করেছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু, তার খেসারত এই নির্বাচনে পাচ্ছেন। সেই সময়ে তৃণমূল পর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করে সন্ত্রাস চাঁদাবাজদের বিএনপির বিভিন্ন পদে নিয়ে এসে খুলনা বিএনপিতে একক আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *