Main Menu

অাজ এবিএম মূসার ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী | বাংলারদর্পন

ফুলগাজী সংবাদদাতাঃ

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট এবিএম মূসার চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৪ সালের ৯এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

এ উপলক্ষে আজ সোমবার তার পৈতৃক নিবাস ফেনী জেলার ফুলগাজী থানার কুতুবপুর গ্রামে এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া আগামী ১৩ এপ্রিল শুক্রবার বাদ আসর মরহুমের বাসভবন সুবাস্তু রিমঝিম ৫/২ ইকবাল রোড মোহাম্মদপুরে বাদ আসর এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। মরহুমের আত্মীয়স্বজন বন্ধুবান্ধবসহ সব শুভার্থীকে ওই দোয়া মাহফিলে যোগ দেয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হচ্ছে।

এবিএম মূসা দীর্ঘ ৬৪ বছর সাংবাদিকতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন। ১৯৫০ সালে দৈনিক ইনসাফ থেকে তার সাংবাদিকতা জীবন শুরু হয়। ওই বছর তিনি ইংরেজি দৈনিক পাকিস্তান অবজারভারে যোগ দেন। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তান অবজারভারে রিপোর্টার, স্পোর্টস রিপোর্টার, বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান অবজারভার বন্ধ করে দিলে তিনি সংবাদে যোগ দেন। ১৯৫৪ সালে তিনি অবজারভারে ফিরে আসেন। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় এবিএম মূসা বিবিসি, সানডেটাইমস প্রভৃতি পত্রিকার সংবাদদাতা হিসেবে রণাঙ্গন থেকে সংবাদ পাঠাতেন। স্বাধীনতার পর তিনি বিটিভির মহাব্যবস্থাপক, মর্নিংনিউজের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হোন। ১৯৭৮ সালে এবিএম মূসা ব্যাংককে অবস্থিত জাতিসংঘের পরিবেশ কার্যক্রমের (এসকাপ) এশিয়া প্যাসেফিক অঞ্চলে আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। দেশে ফিরে ১৯৮১ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান সম্পাদক ছিলেন। ২০০৪ সালে তিনি কিছু দিন দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

এবিএম মূসা জাতীয় প্রেস ক্লাবের চারবার সভাপতি এবং তিনবার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি পাকিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। পূর্ব পাকিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এবিএম মূসা একুশে পদকসহ দেশি বিদেশি বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এবিএম মূসা জীবনের শেষ দিনগুলোতে একজন দর্শকপ্রিয় আলোচক এবং সংবাদ বিশ্লেষক হিসেবে বিভিন্ন চ্যানেলে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে গেছেন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *