Main Menu

অভিভাবকদের সচেতনতাই পারে প্রশ্নফাঁসের মতো ব্যাধি থেকে জাতিকে মুক্ত করতে

 

নিউজ ডেস্কঃ

প্রশ্নফাঁসের ঘটনা বেড়ে চলার দায় নিতে হবে অভিভাবকদেরকেও, এ কথা বলছেন খোদ অভিভাবকরাই। প্রশ্ন কিনতে সন্তানদের টাকা দিয়ে যেমন উৎসাহিত করছেন আবার নিজেরাও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রশ্ন কিনে দিচ্ছেন সন্তানকে।

এমন একজন অভিভাবককে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে প্রথমে অস্বীকার করেন। পরে তার ছবি দেখালে শুরু হয় হম্বিতম্বি। এমন অনৈতিক কাজে সন্তানদের কিছু কিছু অভিভাবকের সহযোগিতাই প্রশ্নফাঁসের ঘটনা চরম পর্যায়ে নিয়ে গেছে বলে মনে করেন অনেকে।

গত এসএসসি পরীক্ষার সময়ও রাজধানীর একটি পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে দেখা গেল কয়েকজন অভিভাবকের ব্যস্ততা। প্রশ্নফাঁস চক্রের কাছ থেকে প্রশ্ন কিনে পরীক্ষার ঠিক আগ মুহূর্তে তা সন্তানকে দেখাচ্ছেন তারা।

যত কার্যকর ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হোক না কেন, অভিভাবকরা সচেতন না হলে কোনো ব্যবস্থাই কাজে আসবে না বলে মনে করেন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহেদুল খবির চৌধুরী।

প্রশ্ন প্রণয়নের সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, ফাঁস রোধের কোনো ব্যবস্থাই কার্যকর হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত এর চাহিদা থাকছে। শুধু ভালো সিজিপিএর জন্য প্রশ্নফাঁসে উৎসাহ দিয়ে অভিভাবকরা নিজের সন্তানদের যে ক্ষতি করছেন তা কখনোই পূরণ হবার নয় বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা।

এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশের শিক্ষাখাত একদিন নিশ্চিত ভাবে অন্ধকার পথে চলে যাবে। প্রশ্নফাঁস একটি ব্যাধি, এটি প্রতিরোধ করতে হবে আমাদের সকলের একনিষ্ঠ প্রচেষ্টায়।প্রশ্নফাঁস রুখতে অভিভাবকদের ভূমিকা সবার থেকে বেশি জরুরি।ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পাস করা যায়, মানুষ হওয়া যায় না।

দেশকে ভালোবাসলে এই সমস্যার সমাধানে সকলের এক হয়ে কাজ করতে হবে। অভিভাবকদের হতে হবে সচেতন। সন্তানদের এই পথ থকে সরিয়ে আনতে পারবেন তারাই। সন্তান এই অপরাধের সাথে জড়িত আছে কিনা সেটা অভিভাবকদের জানার কথা। তাই অভিভাবকরা সচেতন হলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *