Main Menu

সুন্নাতে মোস্তফার প্রচারে অগ্রদূত ছিলেন গাউছুল আজম (রাঃ)- অধ্যক্ষ ছৈয়্যদ মুনির উল্লাহ্

 

চট্টগ্রাম ব্যুরো :

 

একবিংশ শতাব্দীতে ইসলামের খেদমতে ও সুন্নাতে মোস্তফা (দঃ)’র প্রচারে অগ্রদূত ছিলেন কাগতিয়া দরবারের প্রতিষ্ঠাতা হযরত গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আন্হু। যিনি সুন্নাতে নববী ও আদর্শের প্রচারে আজীবন কাজ করেছেন এবং নব্বইর দশকে অগনিত পথভ্রষ্ট যুবককে তরিক্বতের চর্চায় আলোর পথে নিয়ে এসে ইতিহাস রচনা করেন।

আজ ১৭ মার্চ শনিবার পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি মারিশ্যা বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ ময়দানে এশায়াত মাহফিলে হাজারো নবীপ্রেমিক মুসলমানের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের মহান মোর্শেদ আওলাদে রাসূল হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মুহাম্মদ মুনির উল্লাহ্ আহমদী মাদ্দাজিল্লুহুল আলী এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, দেশ ও দেশের যুব সমাজকে বড় বেশি ভালোবাসতেন হযরত গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আন্হু। এ মহামনীষী দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন- পাপীকে নয়, পাপকে ঘৃণা কর এবং পথভ্রষ্টদের পরম মমতায় কাছে টেনে তরিক্বতমুখি করতে পারলে তারা আর বিপথে যাবে না, ইসলামের শান্তি ও কল্যাণের পথে ফিরে আসবে।

কাগতিয়া দরবারের প্রতিষ্ঠাতা খলিলুল্লাহ আওলাদে মোস্তফা খলিফায়ে রাসূল হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আন্হুর স্মরণে আয়োজিত এ মাহফিলের আয়োজন করে মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ ১৪৩নং বাঘাইছড়ি মারিশ্যা শাখা।

কমিটির ৫১নং পবিত্র মক্কা শরীফ শাখার সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা ইছহাক মুনিরীর সভাপতিত্বে মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফেডারেশন সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুর, লে.কর্ণেল এস.এম শামছুম মুহীত, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাদিম সারওয়ার, বাঘাইছড়ি পৌরসভা মেয়র মুহাম্মদ জাফর আলী খান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ আমির হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন।

সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব মাওলানা ইছহাক মুনিরী বলেন নবীজির প্রতি সর্বোচ্চ প্রেম-ভালোবাসা ও আদর্শে আদর্শবান অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আন্হু। যাঁকে আমি কখনো ভুলতে পারবো না। মুসলিম মিল্লাতের অহংকার এ গুণী মহামনীষীর অবদানের কথা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের ওলামা পরিষদের সচিব মুহাদ্দিস আল্লামা মুফতি কাজী আনোয়ারুল আলম সিদ্দিকী, এশায়াত সম্পাদক আল্লামা সেকান্দর আলী, আল্লামা মুহাম্মদ ফোরকান।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবদুল লতিফ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবদুল সবুর, মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, অধ্যাপক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

মাহফিলে স্থানীয় অনেক আলেম, ছাত্র, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ছাড়াও এলাকার সর্বস্তরের মানুষ যোগদান করেন। মাগরিবের পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের এই জনপদের কর্মব্যস্ত মুসলমানেরা দলবেধে মাহফিলে আসতে শুরু করে এবং প্রধান অতিথিকে একনজর দেখার ও তাঁর বক্তব্য শোনার জন্য যে যেখানে পেরেছে অপেক্ষা করতে থাকে। এসময় মাহফিলস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। কোথাও তিল ধারণের জায়গা ছিল না। মিলাদ ও কিয়াম শেষে প্রধান অতিথি দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ্র ঐক্য, সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং কাগতিয়া দরবারের প্রতিষ্ঠাতা গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আন্হুর ফুয়ুজাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করেন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *