Main Menu

আওয়ামীলীগের বিকল্প সব দল পাকিস্তানের বন্ধু : ওবায়দুল কাদের

 

ডেস্ক রিপোর্ট :

আওয়ামী লীগের ভুল থাকতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের বিকল্প যারা রয়েছে তারা পাকিস্তানের বন্ধু। কোন দলের নাম উল্লেখ না করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন: আইএসআইয়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক রয়েছে; এটা প্রমাণিত।

বুধবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ-ভারত মিডিয়া ডায়ালগের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন ওবায়দুল কাদের। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার নেতৃত্ব দেওয়ার পরও ২১ বছর ক্ষমতার বাইরে ছিল। এসময় পাকিস্তানপন্থীরা ক্ষমতায় থাকার কারণে দীর্ঘ দিন বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে অবিশ্বাসের দেওয়াল ছিলো। এটা দূর করা সহজ ছিল না। সেটা সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বের কারণে।

ভারতের জন্য হুমকি এমন সন্ত্রাসীরা আর কখনও বাংলাদেশের মাটিকে তাদের স্বর্গরাজ্য হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না বলে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের। বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে ভারতের সেভেন সিস্টার্সে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে বলেও মন্তব্য করেন ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এ ব্যক্তি।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন: ভারতের সহযোগিতা ছাড়া আমাদের স্বাধীনতা অর্জন কঠিন ছিল। আপনারা আমাদের ১ কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছেন। আপনাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক রক্তের রাখি বন্ধনে আবদ্ধ।

‘তারপরও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অনেক অমিমাংসীত ইস্যু ছিল, যা অনেকটাই সমাধান করে আনা হয়েছে। গঙ্গার পানি বন্টনের মতো ইস্যু আমরা সমাধান করেছি। স্বাধীনতার পর থেকে চলে আসা সীমান্ত সমস্যারও অনেকটা সমাধান হয়েছে। এজন্য শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নেতৃত্ব কথা স্মরণযোগ্য’ বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন: এরপরও দুই দেশের মধ্যে তিস্তার অমিমাংসীত ইস্যু রয়েছে। আপনারা (ভারত থেকে আগত সাংবাদিক) এখন যদি তিস্তায় যান, তাহলে নদীর এপাড় থেকে ওপাড়ে হেঁটে পার হয়ে যেতে পারবেন। এটার একটা সমাধান হওয়া জরুরি। এ সমস্যা সমাধানে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আশা সাংবাদিকদের মমতা ব্যানার্জির দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানান তিনি।

তিস্তা চুক্তিতে মমতা যদি দিল্লির সঙ্গে সহযোগিতা করে তাহলে বাংলাদেশের মানুষ তাকে মনে রাখবে বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

এছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত সরকারের সহায়তার জন্য দেশটির মিডিয়াকর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। বলেন: আমরা সাহায্য চাই না সহযোগিতা চাইছি। চলতি বছর আমরা তিনটি বড় দুর্যোগ মোকাবেলা করেছি। এর মধ্যে আবার এসেছে ১০ লাখ রোহিঙ্গা। মিয়ানমারের সঙ্গে আপনাদের যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রয়েছে তাতে আমাদের অভিযোগ নেই। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সুযোগে আপনারা মিয়ানমার সরকারকে চাপ প্রয়োগ করে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ইতিবাচক ভূমিকা রাখুন।

এসময় তিনি গত ৯ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি দুই দেশের গণমাধ্যমের সহযোগিতা মূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানান






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *