মো. আলাউদ্দীন :
শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট সম্ভাব্য সকল পন্থায়, মানবতার খেদমতে আঞ্জাম দেবার নিরবচ্ছিন্ন প্রয়াস বিমল পুষ্পের মতো সতত স্ফুটমান। এই মানব-মিলন তীর্থে মানবতার সেবার চেতনা ও কাজকে আধুনিককালের চাহিদা উপযোগী করে সম্প্রসারিত ও ব্যাপকতা দিয়ে গেছেন শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ)। তিনি বারংবার তাগিদ দিয়ে গেছেন নিজের প্রয়োজনাতিরিক্ত সকল শক্তি-সামর্থ মানবতার সেবায় নিবেদন করার এবং মজলুম, দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াবার।গতকাল শনিবার ৩ ফেব্রুয়ার রাউজান,ডাবুয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় প্রাঙ্গনে শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট পরিচালিত দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প (যাকাত তহবিল) এর পক্ষ হতে স্থানীয় ২জন দিন মজুরকে ২টি ট্রলিগাড়ি প্রদান কালে ২নং ডাবুয়া ইউনিয়র পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আবদুর রহমান চৌধুরী (লালু) এ কথা বলেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-যাকাত তহবিল পরিচালনা পর্ষদের প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ নাছের, মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ রাউজান থানা সমন্বয়ক মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম চৌধুরী, আবদুল মালেক সওদাগর।
মোঃ নাজিম উদ্দিন, মোঃ মামুন মিয়া, মোঃ জসিম উদ্দিন, মোঃ মোরশেদ, মোঃ সফি, মোহাম্মদ আলী মাসুদ প্রমুখ। ট্রলিগাড়ি গ্রহণকারি (১) মোহাম্মদ মিজান, পিতা-মৃত মোহাম্মদ হোসেন,শাহ আলম সওদাগরের বাড়ী, হিংঙ্গলা, রাউজান,চট্টগ্রাম। তিনি বলেন- বাব নেই,চার ভাই দো বোনের সংসারে আমি সবার ছোট। ভাইয়েরা যার যার মতো করে সংসার করছে, বোনদেরও বিয়ে হয়েগেছে। বেশ কয়েক বছর আগে আমিও বিয়ে করেছি, আমার ঘরে আল্লাহ্র রহমতে এক ছেলে দুই মেয়ে। ছেলেকে মাদ্রাসায় ভতি করেছি। আমি স্থানীয় এলাকায় একটি স’মিলে জোয়ারী হিসেবে দিন মজুরের কাজ করি। সারাদিন হাড়ভাঙ্গা খাটুনির পরও সংসারের ব্যয় সামলাতে ধার- দেনায় জড়িয়ে পড়ি। অভাব-অনটন যেন নিত্যসঙ্গী। স্থানীয় এলাকার মাইজভা-ারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ, হিংঙ্গলা শাখার সদস্য হিসেবে শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট পরিচালিত দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প (যাকাত তহবিল) হতে আজ আমাকে একটি ট্রলিগাড়ি প্রদান করে। মিজান বলেন-আমাকে আর দিন মজুরের কাজ করতে হবেনা, নিয়মিত গাড়ি চালালে মাসে বিশ হাজার টাকা রোজগার করতে পারব-ইনশাল্লাহ। ট্রলিগাড়ি গ্রহণকারি (২) মোহাম্মদ দিদার, পিতা-কোরবান আলী,নোয়ামিয়া সওদাগরের বাড়ী, হিংঙ্গলা, রাউজান,চট্টগ্রাম।
তিনি বলেন- নিমাণ শ্রমিক হিসেবে দিন মজুরের কাজ করি। অভাবের সংসার। কাজের অভাবে প্রায় বেকার বসে থাকতে হতো। এখন আর কাজের জন্য বসে থাকতে হবে না, কোন দিন চিন্তা করি নাই আমিও একটা গাড়ির মালিক হবো। শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট পরিচালিত দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প (যাকাত তহবিল) আজ আমাকে একটি ট্রলিগাড়ি মালিক করে দিয়েছে। নিজে গাড়ি নিজে চালাব, নিজের পরিশ্রমের রোজগার দিয়ে সংসারে সবার মুখে হাসি ফুটাব- ইনশাল্লাহ।