Main Menu

অলিম্পিকের সোনাজয়ী এখন দিনমজুর !

বাংলারদর্পন :

কি নির্মম বাস্ত! প্রতিভার কি ভয়ানক অপচয়! যে ছেলেটি প্রতিবন্ধকতা নিয়ে স্পেশাল অলিম্পিকে জোড়া সোনা জিতে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছিলেন, সেই ছেলেটি এখন দিনমজুরি করেন! প্রতিদিন ইটের বোঝা টানা তার কাজ! ভারতের লুধিয়ানার রাজবীর সিংহের এই গল্প প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে সোশ্যাল সাইট ও মিডিয়ায়। রাজবীরের করুণ কাহিনী ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গণে।

২০১৫ সালে ১৭ বছর বয়সে সুদূর লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে পদক জিতে যখন চণ্ডীগড়ে ফিরেছিলেন, তখন শুভেচ্ছার জোয়ারে ভেসে গিয়েছিলেন। কিন্তু তার পরটা শুধুই শূন্যতা। দ্রুতই তার কথা ভুলে গেল সবাই। ৯ ফুট বাই ৫ ফুটের একটি ঘরে বসবাস শুরু করল রাজবীরের চারজনের পরিবার। তারপর যে হাতে সোনা উঠেছিল সেই হাতেই উঠল ইটের বোঝা। এই মুহূর্তে রীতিমতো অর্থ কষ্টের মধ্যে হুইল চেয়ার ছেড়ে কোনোরকমে সোজা হয়ে দাঁড়াতে হয়েছে সোনার ছেলেকে। খেতে হবে তো!

২০১৫ সালে স্পেশাল অলিম্পিক ওয়ার্ল্ড সামার গেমসে এক কিলোমিটার ও ২ কিলোমিটার সাইক্লিংয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফিরেছিলেন তিনি। তার পর বেঁচে থাকার লড়াইয়ে বাবার সঙ্গে হাত লাগাতে হয় লেবারের কাজে। তৎকালীন পাঞ্জাব সরকার তাকে ১৫ লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল।

পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিংহ বাদল আরও ১ লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এর সঙ্গে আরও ১০ লাখ টাকার বন্ডও দেওয়া হয়। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, এর একটি টাকাও আজ পর্যন্ত হাতে পায়নি রাজবীর কিংবা তার পরিবার!

রাজবীরের বাবা বলবীর সিং বলেছেন, ‘আমার ছেলে আমার কাছে সব সময়ই খুব স্পেশাল। তবে সে খুব ও হতাশ। এই অবস্থা কারও হওয়া ঠিক নয়। ‘ পাঞ্জাবের বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাজবীরের এসব কথা জেনে আবারও সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু রাজবীরের তো সহায়তা নয়; তার চাই ক্রীড়াঙ্গণে দাপিয়ে বেড়ানোর সুযোগ।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *