দক্ষিণ সুনামগঞ্জে বৈরী আবহাওয়া : জনজীবনে অস্বস্তি – বাংলারদর্পন

 

মো. নাইম তালুকদার : দক্ষিণ সুনামগঞ্জ :

টানা তিন ’দিনের ভারি বৃষ্টিপাতে দক্ষিণ  সুনামগঞ্জের  উপজেলায় বৈরী আবহাওয়ার ফলে জনজীবনে অস্বস্তি প্রভাব বিস্তার করছে। 

উপজেলার সবর্ত্রই বৃষ্টির পানি জমে গেছে। রাস্তা-ঘাটে জমে আছে অতিরিক্ত কাদা মাটি। উপজেলার পল্লীতে মানুষজন মহা- দূর্ভোগে ভুগছেন।

ফলে জনজীবনে পোহাতে হচ্ছে নানান দুর্ভোগ আর দূশিন্তার মধ্যে দিয়ে । আর এই বৈরী আবহাওয়ার চরম দুর্ভোগের শিকার পোহাতে হচ্ছে উপজেলার প্রতিটি গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষজনের। 

উপজেলার কৃষক কৃষাণী বোর‍্য ফসল নিয়ে বেশ  দূচিন্তায় ভূগছেন। অতি বৃষ্টির ফলে বীজ তলায় বীজের গাছ ও বোর‍্য জমি তলিয়ে আছে।

এনিয়ে শংকিত আছেন দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার প্রায় কয়েক শতাধিক পরিবার।  পল্লীতে নানা মানুষজন অনাহারে অর্ধাহারে ভূগছেন। প্রায় অনেক গ্রামের দিন মজুরা কাম- কাজ চেরে নিস্বকর্মা হয়ে গৃহবন্দী হয়ে বসে আছেন। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাও ইউনিয়নের ঠাকুরভোগ  গ্রামের বাসিন্দা ইউপি সদস্য আমিরুল ইসলাম  জানান,আমারা অনেক কষ্টে আছি বৃষ্টির কারণে বাড়ী থেকে কোথায় যেতে পারছিনা, ফলে আমাদের হাওর পাড়ের মানুষজন নানা কষ্টে ভূগতেছেন। কেউ না খেয়ে ও বসে আছেন ঘরে, কেউ আবার চাল মুড়ি খেয়ে কোন রকম দিন-পাত কাটাচ্ছেন। অনেকের আবার বীজ তলিয়ে নিয়ে গেছে অতি বৃষ্টি। এ নিয়ে  আমাদের এলাকার হত- দরিদ্র মানুষজনের মনে ভয় জন্মে গেছে

।কারন এতো মূল্যবান বীজ আর আমরা পাই কি করে। এদিকে আবার বীজ বপনের মাস ও শুরু হয়েগেছে।

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাও ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা মো.জামাল উদ্দিন জানান, আমরা বেশ দূচিন্তায় ভূগতেছি, কারণ আমাদের  বোর‍্য জমি গুলা আবার অতি বৃষ্টির ফলে ডুবন্ত অবেস্তায় আছে। বীজবপনের মৌসম ও আবার চলে আসছে এখন কি করি।

স্কুল কলেজ ও মাদরাসা পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রীরা ও নানান দূর্ভোগে আছেন। অতি বৃষ্টি আর পূর্বাল ধমকা হাওয়ার কারণে অনেকেই যেতে পারেনা ক্লাসে। অনেক পরীক্ষার্থীরা ও যেতে ভয় পাচ্ছেন। সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজের অনার্স দ্বীতিয় বর্ষের  ছাত্র দক্ষিণ সুনামগঞ্জের অধিবাসী মো.মিফতাহ উদ্দিন জানান, বৈরী আবহাওয়ার ফলে আমাদের কলেজে যাওয়া আসাটা অনেক কষ্ট  লাগতেছে। আমি মনে করি ছাত্র/ছাত্রীদের এই দূর্ভোগের কথা ভাবনা চিন্তা করে কৃর্তপক্ষ শিক্ষা প্রতিষ্টান গুলা বন্দ রাখা টা খুব প্রয়োজন।

এব্যাপারে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজালা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আবুল কালাম খুব আক্ষেপ করে  বলেন, টানা তিন  ‘দিন ভারী বৃষ্টিপাত ও ধমকা হাওয়ার কারণে আমি নিজে ও ঘর থেকে বাহির হতে পারিনি। আমাদের দক্ষিণ সুনামগঞ্জে শুনেছি অনেক হাওড়ের বীজ তলায় পানি জমে মূল্যবান ধানের গাছ ফছে গেছে । তবে  দিন তুলে আমি  তা খোজ খবর নিব ও সময় পেলে গিয়ে দেখে আসবো।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *