মন্তব্য প্রতিবেদনঃ
এ,কে,এম শামীম ওসমান তরুণ প্রজন্মের চেতনার প্রতীক .
৮০র দশক থেকে নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রভাগে থেকে তিনি নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।শামীম ওসমান যখন অস্টম শ্রেণীর ছাত্র সে সময় বঙ্গবন্ধুকে হত্যার প্রতিবাদে পোস্টার লাগাতে গিয়ে পুলিশের বেধড়ক পিটুনির শিকার হয়েছিলেন .।
৮০র দশকের প্রথমভাগে তোলারাম কলেজের ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে যাত্রা শুরু। পরবর্তীতে ৮১ সালে ভিপি নির্বাচিত হন।স্বাধীনতার শত্রুদের ব্যাপারে আপোষহীন এ
নেতা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস কাঁপিয়েছেন।
স্বৈরাচার বিরোধী সংগ্রাম করতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেছেন তিনি ।
পরবর্তীতে শহর আওয়ামী লীগ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক
নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।১৯৯৬ সনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ২৬০০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করেছিলেন তিনি …
পার্লামেন্টে জ্বালাময়ী ভাষণ দিয়ে,বুদ্ধিজীবীদের পরামর্শে স্বাধীনতা বিরোধীদের নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন তিনি, নারায়ণগঞ্জের কলংক টানবাজার
পতিতাপল্লী উচ্ছেদ ও পতিতাদের পুনর্বাসন করে আলোচিত হয়েছিলেন তিনি … .
নারায়ণগঞ্জের ডিজিটাল টেলিফোন, লিংক রোড নির্মাণ, সিদ্ধিরগঞ্জে গ্যাস সমস্যার সমাধান,বক্তাবলীতে বিদ্যুত সংযোগ, তোলারাম কলেজে অনার্স মাস্টার্স কোর্স চালু, রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন, নতুন আদালত ভবন, জেলা কারাগার নির্মাণ করেন তিনি,
সব শেষে একটি কথা আবারো আপনাদের বলতে চাই .
এমন সাহসী আর দক্ষ সাংগঠনিক ব্যক্তি যদি গডফাদার হয়ে থাকে !!!
তবে আওয়ামী লীগের আগামী ৩০০ আসনেই এমন গডফাদার চাই ।।
কারন শামীম ওসমানদের মত নেতা-কর্মীদের জন্য আওয়ামীলীগ শত-শত বছর
টিকে থাকে,কারণ তারা পাগল, নৌকার পাগল,বঙ্গবন্ধুর পাগল,নেত্রীর পাগল।