নির্বাহী সম্পাদকঃ নাসার বিজ্ঞানী সুরেন্দ্র অধিকারী বলছেন, ১০০ বছর পর বিশ্বের ২৯২টি শহরের সঙ্গে বন্দরনগরী চট্টগ্রামও হারিয়ে যাবে জলের অতলে। সমুদ্রের জল–স্তর যেভাবে বাড়ছে, তাতে চট্টগ্রামকে বাঁচানো আর সম্ভব হবে না।
উষ্ণায়নের জন্য পৃথিবীর সমুদ্রতল কতটা উপরে উঠতে পারে ১০ এবং ১০০ বছর পর, তার পূর্বাভাস দিতে গ্র্যাডিয়েন্টফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাপিং (জিএফএম) প্রযুক্তি এনেছে নাসার জেট প্রোপালসন ল্যাবরেটরি (জেপিএল)। সেই প্রযুক্তিবলছে, ২১০০ সালে সমুদ্রতল উঠে আসবে ০.৫১ মিটার থেকে ১.৩১ মিটার তার ফলে পানির অতলে তলিয়েযাবে লন্ডন শহর।
নাসার সাম্প্রতিক গবেষণার উদ্বৃতি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের দৈনিক আনন্দবাজার জানাচ্ছে, হিমবাহ আর দুই মেরুরবরফ দ্রুত গলার ফলে ১০০ বছর পর কোনো কোনো শহর তলিয়ে যাবে সমুদ্রগর্ভে। অনিবার্য ধ্বংসের মুখেদাঁড়িয়ে প্রহর গুণছে ম্যাঙ্গালোর।উষ্ণায়নের ফলে ম্যাঙ্গালোরে সমুদ্রের জল স্তর ১০০ বছর পর বাড়বে ১৫.৯৮সেন্টিমিটার ফলে একেবারেই তলিয়ে যাবে ম্যাঙ্গালোর শহর কোনও চিহ্নই থাকবে না ওই শহরের আগামীশতাব্দীতেবিলাসিতার শহর, ভারতের বাণিজ্য নগরী মুম্বাইও বাঁচবে না ধ্বংসেরহাত থেকে।
নাসা জানাচ্ছে, সমুদ্রের জল স্তর যে দ্রুত হারে বাড়ছে উত্তরোত্তর, তাতে ১০০ বছর পর অনিবার্যভাবেই জলের অতলে তলিয়েযাবে মুম্বাই তলিয়ে যাবে অন্ধ্রপ্রদেশের বন্দর শহর কাকিনাড়াও কয়েক বছর আগে জাপানের হাতছুট হয়ে পাকাপাকিভাবেচিনের ‘পকেটে’ ঢুকলেও সমুদ্রের জল স্তর হু হু করে বেড়ে চলায় তলিয়ে যাবে সাধের, শখের হংকং শহরও।সমুদ্রে পুরোপুরি ডুবে যাবে দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার রাজধানী, বন্দর শহর কলম্বোও।
হারিয়ে যাবে চীনের অন্যতম ব্যস্ত বন্দর শহর সাংহাই তলিয়ে যাবে স্ট্যাচু অব লিবার্টির চকচকে শহরনিউইয়র্কও।

যে দ্রুততায় হিমবাহ আর দুই মেরুর বরফ গলছে, তাতে নাসার জোর আশঙ্কা, ১০০ বছর পর সমুদ্রগর্ভেতলিয়ে যাবে জাপানের রাজধানী শহর টোকিও।