Main Menu

ফেনীতে কোরবানীর হাট বাজারে গরু বেশি ক্রেতা কম

 

বাংলার দর্পন ডটকম >>

পবিত্র ঈদুল আযহার বাকী আর ৬দিন। ফেনীর হাট-বাজারে চাহিদার তুলনায় গরু থাকলেও ক্রেতার সংখ্যা অনেক। হাটে আসা লোকজনের সংখ্যাও কম। তবে যারা আসছেন তারা দরদাম করেই সময় কাটাচ্ছেন। শুক্রবার জেলার প্রধানতম গরুর হাট হিসেবে পরিচিত পাঁচগাছিয়া বাজারের চিত্র। জেলা সদর সহ গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজারেও একই অবস্থা।

শুক্রবার দেখা গেছে, পাঁচগাছিয়া বাজারে গরু-ছাগল বিক্রির জন্য তোলা হলেও ক্রেতা ছিল একেবারেই নগন্য। ইতিমধ্যে বিভিন্ন হাটে ব্যবসায়ীরা গরু আনতে শুরু করেছেন। বাজারে যে পরিমান গরু এসেছে তাতে বড় ধরনের কোনো কৃত্রিম সংকট তৈরি করা না হলে দাম সহনীয় থাকবে। এতে করে ব্যাপারীদের কেউ কেউ লোকসানের আশংকাও করছেন। বাজারে গরুর তুলনায় দাম সহনীয় থাকায় ক্রেতারাও গরু দেখে সময় কাটাচ্ছেন। আগামী মঙ্গলবার থেকে পুরোদমে কেনাবেচা শুরু হবে বলে মনে করছেন বিক্রেতারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সদর উপজেলায় ৩৭টি, সোনাগাজী উপজেলায় ১৯টি, দাগনভূঞা উপজেলায় ১৬টি, ফুলগাজী উপজেলায় ৬টি, পরশুরাম উপজেলায় ৮টি, ছাগলনাইয়া উপজেলায় ২০টি গবাদি পশুর হাট বসেছে।

বেলাল হোসেন নামের এক বিক্রেতা জানান, তিনি ৫০টি গরু এনেছেন। প্রথমদিনের বাজারে একটিও বিক্রি হয়নি।

আরেক বিক্রেতা মো: হানিফ জানান, তিনি ১৫-১৬টি গরু এনেছেন। এখন পর্যন্ত একটিও বিক্রি করতে পারেননি। তবে কেনার সাথে অনেক কম দাম হাঁকায় বেচাবিক্রি শুরু হয়নি।

পেয়ার আহম্মদ নামের বিক্রেতা জানান, ক্রেতারা দাম কম বলছেন। ঈদের আগে তিন-চারদিন ভালো দাম পাবেন।

বাজারে গরু দেখতে আসা আবদুল হালিম নামের এক সরকারি কর্মকর্তার সাথে কথা হয়। তিনি জানান, এখন দাম দেখতে এসেছি। যদি পছন্দ আর দামে মিলে যায় তাহলে গরু কিনে ফেলব।

পাঁচগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সহ-সভাপতি আবু আইয়ুব আনসারী শামীম জানান, বাজারে প্রচুর পরিমান গরু এসেছে, এখনো আসছে। কিন্তু ক্রেতা কম। শুক্রবার একটি গরুও বিক্রি হয়নি। আগামী মঙ্গলবার থেকে বেচাকেনা বাড়তে পারে।

এদিকে প্রানিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, ফেনীতে কোরবানির পশুর কোনো সংকট হবে না।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *