Main Menu

দ্রব্যমূল্য রোধে আমাদের করণীয়

মো: ইমাম উদ্দিন সুমন: অব্যাহত পণ্যমূল্য বৃদ্ধি যে কোন সরকারের জন্যই অত্যন্ত নাজুক বিষয়। বিগত সরকারের আমলে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে অস্বাভাবিক হারে। এটা সকলেই জানেন যে, প্রতিযোগিতামূলক বাজারে পণ্যের দাম নির্ধারিত হয়ে থাকে পণ্যের মোট সরবরাহ ও মোট চাহিদার ভিত্তিতে। চাহিদার চেয়ে পণ্য সরবরাহ কম হলে মূল্যবৃদ্ধি ঘটে থাকে, যতক্ষণ না চাহিদার ও সরবরাহে একটা সমতা আসে। প্রধানত: দুই কারণে বর্তমান সরকারের আমলে অস্বাভাবিক পণ্যমূল্য বৃদ্ধি ঘটেছে। প্রথম: উৎপাদন ব্যবস্থাকে জোরদার করার বিষয়ে জোট সরকারের জোরালো প্রচেষ্টার অভাব। দ্বিতীয়: উৎপাদনের উপকরণের যেমন- বীজ, সার, তেল, বিদ্যুৎ, পানি ইত্যাদির দফায় দফায় মূল্য বৃদ্ধি। এ কারণেই পণ্যমূল্য বৃদ্ধি এখনো অব্যাহত রয়েছে। মজুদ করা যায় এমন সব পণ্যের বাজার গত কয়েক মাস অস্থিতিশীল হয়ে ওঠার আরো কারণ হলো-মজুদ পণ্য গুদামে আকস্মিক তল্লাশি, কোন কোন ক্ষেত্রে সীলগালা করা কিংবা বাজার বিক্রির জন্য চাপ সৃষ্টি করা। কালোবাজারী ও ব্যবসায়ী মজুদদারকে একই মনে করা। পণ্য মজুদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিপণন কার্যক্রম।মওসুমভিত্তিক উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রে তা আরো গুরুত্বপূর্ণ। মজুদের ব্যবস্থা না থাকলে অ-মওসুমে আমরা চাল, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন, পেতাম না এবং সব উৎপাদন পানির দরে বিক্রি হত। মজুদদারা বন্ধু-অথচ আমরা বাজার ব্যবস্থা না বুঝেই একসময় স্লোগান দিয়েছি-মজুদদারের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে- কি ভয়ঙ্কর বাজার বিনাশী আবদার! মজুদ ও প্রক্রিয়াজাত কার্যক্রমের ফলেই কৃষিপণ্য মূল্য স্থিতিশীল হয়ে উঠে। মজুদ করা হয় মুনাফার জন্য। যথেষ্ট প্রতিযোগিতা থাকলে মজুদদার, পণ্য অতিরিক্ত সময়ের বেশি একদিনও ধরে রাখবে না। অথচ পণ্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য আমরা সরবরাহ ও চাহিদার অবস্থা বা ভারসাম্যের কথা চিন্তা না করে প্রথমেই আঘাতটা মজুদদারদের উপর নিতে চেষ্টা করি। কোন জরুরি অবস্থা, সামরিক শাসন হলেই সকল অনিষ্টের মূলে এই মজুদদারকেই চিহ্নিত করা হয়। অবশ্য সপ্তাহকয়েক পরেই বাজারের আরো বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় কর্তৃপক্ষেকে পিছুটান দিতে হয়। ততদিন সরবরাহ সংকট আরো দাম বৃদ্ধিকে উসকে দেয়। পণ্য আমদানিকারক সিন্ডিকেট কিংবা বাজার ব্যবস্থার যে কোন পর্যায়েই সিন্ডিকেট/কার্টেল তৈরি হয়ে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের সুযোগ তৈরি হলে অবশ্যই তা হয় ভোক্তাদের চরম ক্ষতির কারণ। এ রকম বাজার ব্যর্থতাকেই বরং সরকার হস্তক্ষেপ করে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। সেটা বাজার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই- এক্ষেতেও ধরপাকড়, হুমকি বরং বাজারে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ভীতি তৈরি করে পণ্য সরবরাহে আরো বাধা-বিপত্তি তৈরি হতে পারে। সিন্ডিকেট (কয়েকজনের অাঁতাত ব্যবসা) তৈরি হতে না দেয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি করার দায়িত্ব সরকারের। আমদানিকারক কিংবা বাজারের যে কোন পর্যায়েই ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট তৈরি হয় রাজনীতিক (ক্ষমতাসীন)দের পরোক্ষ সমর্থন কিংবা সরাসরি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার সুযোগে। ব্যবসার যে কোন পর্যায়ে যেন যথেষ্ট প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হয় সেটাই সরকারের দেখার জরুরী বিষয়।

পূজা-পার্বণ, ঈদ ছাড়া বাংলাদেশে পণ্য চাহিদার আকস্মিক বৃদ্ধি ঘটে না, বরং ইদানীং গ্রামে-গঞ্জেও ক্ষুদ্র ব্যবসার সুযোগ অসম্ভবরকম সীমিত হয়েছে। অবৈধ স্থাপনসমূহ ভাংচুরের কারণে বহু পরিবার কর্মহীন হয়েছে, ব্যবসায়ীরা ভীতসন্ত্রস্ত হওয়ায় চাহিদা বরং ভাটা পড়ছে। তবু কেন অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে? পুনরাবৃত্তি হলেও আবারো এক অর্থনৈতিক কারণ উল্লেখ করছি :

(ক) দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষি পণ্যসামগ্রীর প্রায় প্রতিটির ঘাটতি রয়েছে, (খ) আমদানি পর্যায়ে বর্তমান সরকারের রাজনীতিক ব্যবসায়ীদের অাঁতাতের ফলে সিন্ডিকেট তৈরি হওয়ায়-মূল্যকে এরা যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পেয়েছিল এবং আমদানির জন্য বড় বড় আমদানিকারকের উপর নির্ভর নির্ভরশীলতার জন্য ঐ অপ রাজনীতি দায়ী, (গ) পণ্য উৎপাদনে অত্যধকি খরচ সেচ, বিদ্যুৎ সারের বণ্টন অব্যবস্থাপনা এর জন্য দায়ী, (ঘ) পণ্য পরিবহনে নানা অনিয়ম ও সাপ্রতিককালে পরিবহনে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ চেষ্টা, চাঁদাবাজি ও পুলিশের অবৈধ কার্যক্রমের খরচও এর সঙ্গে যুক্ত হয়। দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা অর্জন (দামের উঠানামার ব্যাপকতা কমে যাওয়া), দ্রব্যমূল্য সাধারণ ক্রয়সীমার মধ্যে রাখতে পারাটাই যে কোন সরকারের অর্থনৈতিক সাফল্যের বড় মাপকাঠি। অর্থনীতির প্রকৃত উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেলেই কেবল এটি সম্ভব। দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা অর্জন ও পণ্যমূল্য কমিয়ে আনতে হলে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে নিম্নোক্ত কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

(১) উৎপাদন ঘাটতি মেটানোর জন্য প্রযুক্তি উন্নয়ন ও হস্তান্তরের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। উৎপাদন উপকরণগুলোর সরবরাহ, যতটা সম্ভব প্রতিযোগিতামূলক বাজারে ছেড়ে দিতে হবে। সর্বত্রই প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করা ছাড়া বাজার ব্যবস্থার সুফল উৎপাদক কৃষক শ্রেণী কিংবা ভোক্তা কেউই পেতে পারে না। কৃষি উৎপাদন উপকরণগুলোর ক্ষেত্রে যেমন-সেচ ও চাষের যন্ত্রাদি, সার, পল্লী বিদ্যুৎ সরঞ্জামাদি, উন্নত বীজ, আমদানির ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সারচার্জ, ট্যাক্স অবশ্যই থাকবে না। সরকারি সার বিতরণে ডিলারশীপকে গ্রাম্যবাজার ভিত্তিক বহু ব্যবসায়ীকে ছড়িয়ে দিতে হবে। সার, বীজ, যন্ত্রাদি আমদানিতে এসবের যথাযথ মানকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখতে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে হবে। আমদানিতে সিন্ডিকেট বা কার্টেল যাতে না গড়ে উঠে সে জন্য যে কোন আমদানিতে যথাসম্ভব অধিক সংখ্যক আমদানিকারকে সুযোগ দিতে হবে। ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল আমাদানিতে বিগত বছরে রাজনৈতিক ব্যবসায়ীদের সংশ্লিষ্টতার কারণে সিন্ডিকেটগুলোর মুনাফালোভী কার্যক্রমে দেশবাসীকে এসব পণ্যের জন্য আকাশ ছোঁয়া দাম দিতে হয়েছে। এখন ঐ সিন্ডিকেটগুলো ভাঙার ব্যবস্থা করাই হচ্ছে সরকারের জরুরি দায়িত্ব।

(২) পণ্য মজুদ ও সংরক্ষণ কার্যক্রমকে উৎসাহিত করতে হবে। এসবের ক্ষেত্রে, পণ্যমজুদে সময়সীমা বেঁধে দেয়াও বজার কার্যক্রমের সরাসরি হস্তক্ষেপের সামিল। এসব হস্তক্ষেপ বাজারে অংশগ্রহণকারীরা ভীতসন্ত্রস্ত হলে এবং বাজার কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়লে দীর্ঘ মেয়াদে বাজার দাম আরো অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে। বাজার কার্যক্রমে, এজেন্টদেরকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়া উচিত। যার কাজ তাকেই করতে দেয়া বাঞ্ছনীয়। এ ক্ষেত্রে খুব আপতকালীন সময়ের জন্য সরকার গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় অত্যাবশকীয় পণ্যের বাজার স্টক গড়ে তুলতে পারে। যাতে জাতীয় কোন দুর্যোগকালীন সময়ে আমদানি রফতানি ব্যাহত হলে তা বাজারে ছেড়ে নিম্নবিত্ত ও দুস্থ শ্রেণীকে সহায়তা দিতে পারেন। এটাও হওয়া উচত টার্গেট গ্রুপ ভিত্তিক। কোনভাবেই উন্মুক্ত বিক্রয় নয়। উন্মুক্ত বিক্রয় হলে সেসব কার্যক্রম সপ্তাহ কয়েকেরে বেশি চালাতে অতীতে দেখা যায়নি। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণেই তা সরকার বেশিদিন চালিয়ে যেতে পারে না। বাজার ব্যবস্থার বিকল্প সরকার হতে চাইলে তা অর্থনীতিতে আরো বিপর্যয় ডেকে আনে। স্বাধীনতার পরপর বিধ্বস্ত বাজার ব্যবস্থাকে উজ্জীবিত না করতে চেয়ে সরকারি অত্যধিক হস্তক্ষেপ আমরা যে ভুল করেছিলাম, সেটা ভুলে যাওয়া টিক নয়। মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ কৃষি পণ্য বাজার ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে দক্ষ। ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়াকে সামনে রেখেই এ কথার যৌক্তিকতা প্রমাণে যথেষ্ট গবেষণার ফলাফল কৃষি অর্থনীতিবিদদের হাতে রয়েছে। মনে রাখতে হবে, গণতন্ত্রায়নে রাজনৈতিক ব্যর্থতা ও অসততার পরেও এই স্বাধীন বাজার ব্যবস্থাই বিগত দুই দশক ধরে আমাদের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দিয়েছে। উন্মুক্ত বাজার ব্যবস্থাকে অবমূল্যায়ন করার কোন কারণ নেই। ব্যবসায়ী ও উৎপাদক শ্রেণী হচ্ছে অর্থনীতির মূলচালিকা শক্তি। এদের আস্থায় নিতে হবে।

(৩) বেসরকারি পর্যায়ে মজুদ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য, গুদাম ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সৃষ্টিতে বিশেষ ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা থাকা উচিত। পচনশীল দ্রব্যাদি সংরক্ষণ, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে গবেষণা কার্যক্রম চালু করা উচিত। মজুদ ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয় সহায়তাদানে সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে। এই বিষয়ে ব্যবসায়ীদের জন্য প্রশিক্ষণ সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত। কৃষক উৎপাদকদের যাতে পণ্য মজুদ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় সে ব্যবস্থা নিতে হবে- এবং এতে মূল্য বৃদ্ধির সুযোগ তারাও নিতে পারবে। বাজার ব্যবস্থার সকল দায়িত্ব বেসরকারি ব্যবস্থাপনার উপর অবশ্যই ছেড়ে দিতে হবে।

(৪) আমদানি ক্ষেত্রে কাস্টমস ও প্রশাসনের দুর্নীতি ও দীর্ঘসূত্রতা কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। কেননা বাজার ব্যর্থতা এর অন্যতম কারণ। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য এরাও বহুলাংশে দায়ী। যে কোন পণ্য চলাচল জরুরি খাত হিসেবে বিবেচিত হবে। রাস্তা জনপথ অবরোধ চরম দন্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

(৫) কৃষি ব্যবসা (এগ্রিবিজনেস) এখন আমাদের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের মূলধারা। এই খাতকে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের মূলধারা। এই খাতকে বেগবান করতে সরকারের করণীয় যথেষ্ট কিছু রয়েছে। বাজেটে আমরা ভর্তুকি রাখি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলে। এর ফলাফল উৎপাদক শ্রেণীর হাতে পৌঁছে না। ভর্তুকিতে যে অদক্ষতা ও অপচয় অবশ্যই কমাতে হবে। বরং ভর্তুকির টাকা কৃষি গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে ব্যয় করলে তা অনেক বেশি লাভ দেবে। কৃষককে মূল্য সমর্থন দেয়ার জন্য খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালা ও ব্যর্থতাই পর্যবসিত। শুধু রাজনৈতিক ক্যাডাররাই সংগ্রহ কেন্দ্রে বিক্রির সুযোগ পায়। এসবের পর্যালোচনা করে গতানুগতিক এই কর্মসূচিগুলো সীমিত করা উচিত এবং ঐসব অর্থ দিয়ে বাজার অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রচেষ্টা নেয়া উচিত। প্রতিটি জেলায় ও উপজেলায় বিসিক শিল্প নগরী কার্যক্রমের আদলে অসংখ্য পাইকারী বাজার সৃষ্টি জরুরি হয়ে পড়েছে। অনেক কৃষি পণ্যের কেন্দ্রীয় বাজার হিসেবে ঢাকার আশেপাশে অন্তত আরো কয়েক ডজন বৃহৎ পাইকারী বাজার সৃষ্টি করা অপরিহার্য। দেশের এক প্রান্ত থেকে যে কোন প্রান্তে বাধাহীন পণ্য চলাচলের যত চ্যানেলে সৃষ্টি করা সঞ্চয় তা-ই করতে হবে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে।

 

ঢাকার চারদিকে নৌপথ উন্মুক্ত করে দিলে দেশের পণ্য বাজার ব্যবস্থা আরো সংহত ও সমন্বিত হবে এবং পণ্যমূল্য স্থিতিশীল হতে এটা অত্যন্ত সহায়ক হবে। নৌপথ পুনরুদ্ধার ও নিরাপত্তা বিধানে সরকারকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশের বাজারগুলোকে বিদেশের সঙ্গে আরো যুক্ত ও উন্মুক্ত করে দিলে আমাদের দক্ষ ব্যবসায়ী শ্রেণী গড়ে ওঠায় (বেসরকারি খাত) অর্থনীতি দ্রুত গতিশীল হয়ে উঠবে। কেবল উৎপাদক শ্রেণীকে দক্ষ হবার সুযোগ সৃষ্টি করুন অর্থনীতিতে এর ফলে যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটবে। গার্মেন্টস খাত দিয়ে এটা যথেষ্ট প্রমাণিত হয়েছে যে, কোটা প্রথার চেয়ে মুক্ত প্রতিযোগিতায় আমরা রপ্তানি আয় কয়েকগুণ বেশি বাড়াতে সক্ষম হয়েছি। সে কারণেই বাজার কার্যক্রমের দায়িত্ব বাজারে অংশগ্রহণকারীদের উপর ছেড়ে দিয়ে বরং সরকারি অদক্ষতা ও দুর্নীতি কমিয়ে আনাই হবে বাজারকে শক্তিশালী করার সর্বোত্তম উপায়। সরকার এখন কাঙ্ক্ষিত পথেই এগুচ্ছে-প্রয়োজন বাজার ব্যবস্থাকে আরো জোরদার করা।

সম্পাদনায় /সুমন






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *