Main Menu

রাণীনগরে বিরল রোগে আক্রান্ত মেহেদির পাশে দাঁড়ালেন নওগাঁর জেলা প্রসাশক

এ বাসার চঞ্চল-নওগাঁ প্রতিনিধি:-নওগাঁর রাণীনগরে বিরল রোগে আক্রান্ত মেহেদি হাসান (৮) এর বিভিন্ন জাতীয় ও স্থাণীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর নওগাঁর জেলা প্রশাসক ড: মো: আমিনুর রহমান তার সহযোগীতার হাত নিয়ে ছুটে গেলেন রাণীনগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের বিরল রোগে আক্রান্ত মেহেদির বাড়ীতে। গত ৮ বছর ধরে বিরল রোগে আক্রান্ত মেহেদির দুর্বিষহ জীবন-যাপনের খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশের পর নওগাঁর জেলা প্রশাসক জানতে পেরে মঙ্গলবার বিকেলে মেহেদির চিকিৎসার খোঁজ খবর নিতে তার বাড়িতে যান। তিনি ওই পরিবারকে আশ্বাস দিয়ে বলেন, মেহেদির চিকিৎসার জন্য এসপ্তাহের মধ্যেই নওগাঁর সিভিল সাজর্নকে দেখিয়ে তার পরামর্শক্রমে দেশের সরকারী পর্যায়ে সর্বোচ্চ হাসপাতালে সু-চিকিৎসার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তাৎক্ষনিক ভাবে তার মাধ্যমে স্থাণীয় সংসদ সদস্য মো: ইসরাফিল আলম এমপি’র পক্ষ থেকে ৫ হাজার টাকার চেক ও জেলা প্রশাসক নিজে নওগাঁ যাতায়াত খরচ বাবদ কিছু নগদ অর্থ মেহেদিকে প্রদান করেন এবং সরকারি পর্যায়ের সহযোগিতার জন্য মেহেদির বাবা আজাদকে তার বরাবর একটি আবেদন দেওয়ার জন্য বলেন।
জানা গেছে, ভবানীপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে মেহেদি হাসান জন্মের মাত্র ১৩ দিন পর থেকেই শরীরের বিভিন্ন অংশে চামরা ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে গোটা শরীরে বিস্তার লাভ করে। এতে করে তার চলা ফেরা, খাওয়া দাওয়াসহ শারীরিক নানান যন্ত্রনায় দীর্ঘ ৮ বছর ধরে জীবন যাপন করছে সে। কিন্তু ভ্যান চালক গরীব পিতা প্রাথমিক ভাবে ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা করাতে গেলে ডাক্তার রোগ সনাক্ত করতে না পারায় বিরল যন্ত্রনায় জীবন-যাপন করতে থাকে। এমন খবর বিভিন্ন জাতীয় ও স্থাণীয় পত্রিকায় প্রকাশ হলে নওগাঁর জেলা প্রসাশক ড: মো: আমিনুর রহমানের দুষ্টিগোচর হলে তিনি ছুটে আসেন মেহেদির বাড়িতে।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোনিয়া বিনতে তাবিব, সহকারি কমিশনার (ভূমি) নিলুফা ইয়াসমিন, এক্সিকিউটিভ ম্যাজেস্ট্রেট জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ, গোনা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসানাত খান হাসান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক রেজাউল ইসলাম প্রমূখ ।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *