অাকবর হোসেন রিগ্যান > মুক্তিযোদ্ধা সন্তান।
সোনাগাজীর কোন মুক্তিযুদ্ধারা কেউ কি অস্বীকার করতে পারবে সেই নির্মম হত্যাকান্ডের কথা?
সেদিন দু চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি, আমার বাবার মুখে শহীদ নূরুল আফছার হত্যা কান্ডের কথা শুনে। আমি আমার বাবা মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক খোন্দকার সহ অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধাদের থেকে শুনেছিলাম সেই ১৯৭১ সালের কথা, তারা বর্তমান ভাতা খাওয়ার জন্য যুদ্ধ করেন নি, বলেছেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে মূল্যায়ন করে সুযোগ সুবিধা দিচ্ছেন, সেটা মুক্তিযোদ্বা ও তাদের পরিবারের জন্য বোনাস।
রাজাকার মুক্তিযোদ্বাদের হত্যা করলে মানা যায়, কারন সে প্রকাশ্য শত্রু, সে রাজাকার।কিন্তু সহযোদ্ধার দ্বারা হত্যা হলে সেটাকে কি বলবো? আমার মতে এটা তো ডাবল রাজাকার । জাতি এ হত্যার বিচার চায়।
তাই আমি মুক্তিযোদ্ধের স্বপক্ষে লিখি, আমি তো কোন অন্যায় করছিনা। খুনি ও অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে আমি আজীবন লিখে যাবো। আমাকে যে যাই বলুক সত্যের পথে থাকবো ইনশাহআল্লাহ।
যেখানে শহীদ নূরুল আফছার ও তার ভাইরা স্বাধীনতার স্বপক্ষের লোক, ও আওয়ামীলীগ পরিবার। যেখানে সমাজে ক্যান্সার ও কিডনি ফেল রুগিদের কে অর্থ সাহায্য করেছেন, যার অনেক প্রমান আছে, শহীদ নূরুল আফছারের ভাইদেরকে জামাত শিবিরকে অর্থদানকারী বানিয়ে দেয়, অর্থাৎ শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চায় অপরাধীরা। সামাজিক ভাবে ন্যায় পরায়নশীল, দানবীর, ছোট কাল থেকে জেনেশুনে ও দেখে আসেছি। এলাকার মানুষরা ও তাই জানে, অথচ অন্যায়কারিরা বাচাঁর জন্য এ পরিবারকে পর্যন্ত জামাত শিবির নামে উপাদি দিতে পারে, জানিনা মুক্তিযোদ্ধের সময় তারা কত অন্যায় কাজে লিপ্ত ছিলো? জনতার কাছে শহীদ পরিবারের প্রশ্ন? সাহস করে সত্যকথা বলুন, আল্লাহর কাছে ভালো পাবেন।
যার পরিবারের স্বজন হারিয়েছে, খুন হয়েছে সে তার ব্যাথা বুঝবে, আমরা কিভাবে বুঝবো সেই ব্যাথা?
এই সোনাগাজীতে যারা পূর্বে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারেরা ক্ষমতায় ছিলো তারা মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ভাঙ্গিয়ে সরকারের দেয়া ভুমি টাকা পয়সা হতে শুরু করে, যাচাই বাছাই বানিজ্য সহ দূর্নীতি করেছে। ঠকিয়েছে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদেরকে। এসবের সুষ্ঠু তদন্ত্র হওয়া প্রয়োজন।
অবশেষে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আফছার হত্যার বিচার চাই।