ফেনী :
যথাযোগ্য মর্যাদায় ফেনী মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। দিবসের শুরুতে ফেনীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ফেনী-২ আসনের সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারী, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, ফেনী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ফেনী পৌরসভার মেয়র, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা আ.লীগ, ফেনী সরকারি কলেজ, ফেনী সাংবাদিক ইউনিয়ন, ফেনী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন।
পুষ্পস্তবক অর্পন শেষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য এক র্যালি স্মৃতিস্তম্ভ থেকে শিল্পকলায় মিলিত হয়।
সকাল ১১টায় শিল্পকলা মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয় হয় । সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী- আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী। তিনি বলেন, এ অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বে সারাদেশের আগেই ফেনী মহকুমা পাক-হানাদার মুক্ত হয়। নতুন প্রজন্মকে এই প্রকৃত ইতিহাস জানার আহবান তিনি।
জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ হাসানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন ফেনী জেলা পুলিশ সুপার মোঃ জাকির হাসান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেব, জেলা আ.লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফেজ আহম্মদ, জেলা আ.লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মোস্তফা হোসেন প্রমূখ।
এ ছাড়া স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তরুণ সংঘের উদ্যোগে ফেনীর দাগনভূঞা থেকে বিলোনিয়া পর্যন্ত পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করা হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৭১সালের ৫ডিসেম্বর বিলোনিয়ায় রক্তক্ষয়ী এক সম্মুখ যুদ্ধে পাক-হানাদারদের বিতাড়িত করে ফেনীর মুক্তিযোদ্ধারা। পরদিন ২নং সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডার কর্নেল জাফর ইমামের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ফেণী শহরে পতাকা নিয়ে বিজয় মিছিল করেন। সে অনুযায়ী ৬ডিসেম্বর ফেনী হানাদার মুক্ত দিবস পালন করা হয়।