Main Menu

শীতের সকালে হাজারো মুখে উষ্ণ হাসি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
সকাল দশটা। শীতের তীব্রতা তখনো কাটেনি। গ্রামের ধুলোমাখা পথ ধরে খোলা মাঠে হাজির বিভিন্ন বয়সী হাজারো নারী-পুরুষ। সবার চোখ শীত নিবারণে উষ্ণতাময় কম্বলের দিকে। এক ঘণ্টার মধ্যে এক হাজার কম্বল শেষ।

সবার হাতে কম্বল মুখে উষ্ণতার হাসি। এই হাসি শীতের সকালে উঁকি দেয়া সূর্যের থেকেও বেশি দৃপ্তিময়। ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা কালজানি নদীর তীরবর্তী এলাকায় দাপুটে শীত হেরেছে সহস্রাধিক মানুষের উষ্ণ হাসিতে।

শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) সকালে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের শালজোড় সরকার বাড়ী মোড়ে এমন দৃশ্য দেখে যায়। যেন শীতের সকালে পৌষের বিদায় লগ্নে বসেছিল হাজারো বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, শিশু-কিশোরসহ নানান বয়সী মানুষের মেলা।

নদী তীরবর্তী এই দুর্গম এলাকার এক হাজার দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এম্বাসি অফ দ্যা পিপলস রিপাবলিক অফ চায়না ইন বাংলাদেশ এবং এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ-চায়না অ্যলুমনি এর সহযোগিতায় ইমপ্যাক্ট ইনিসিয়েটিভ শীতবস্ত্র বিতরণের আয়োজন করে।

বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার দেব শর্মা বলেন, গ্রামীণ জনপদের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে সরকারের পাশাপাশি বিত্তবান মানুষ এবং উন্নয়ন সহযোগী সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। সন্তানদের লেখাপড়া করানোর পাশাপাশি বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে হবে। আমরা সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে পারলে পরিবর্তন সম্ভব। এসময় তিনি শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ আয়োজনের জন্য ভূয়সী প্রসংশা করেন।

রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের কার্যকরী সদস্য সাংবাদিক এনামুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনূর আলম, কুড়িগ্রাম প্রতিদিন অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক নাহিদ হাসান নিবিড়, ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল হক, শালজোড় বিওপি ক্যাম্প কমান্ডার দেলোয়ার হোসেন, মোজাহার হোসেন প্রমুখ।

এদিকে দুর্গম চরাঞ্চলে শীতবস্ত্র বিতরণে খুশী সুবিধাভোগী মানুষেরা। শালজোড় গ্রামের পঁচাশি বছর বয়সী বৃদ্ধ হবিউর রহমান বলেন, নদীর এপারে কেউ সহযোগিতা নিয়ে আসতে চায় না। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না। এই জন্য আমাদের কষ্টও বেশি। এবার শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় আমার মতো বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে। আজ কম্বল পেয়ে ভালো লাগছে।

শতবর্ষী গঞ্জর আলী বলেন, কম্বল পানু, উপকার হইবে। মুই খুব খুশি বাবা। হামার মতো গরীবোক যদি সরকারের লোকেরা ঠিক মতো দ্যাকে, তাইলে কষ্ট আরো কমিল হয়।

কম্বল পেয়ে হবিউর রহমান ও গুঞ্জর আলীর মতো সবার মুখেই ছিল উষ্ণতার হাসি। কৃষক কৃষাণি থেকে শুরু করে দিনমজুর, শ্রমিক, হতদরিদ্র শিক্ষার্থী ও অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
শীতের সকালে হাজারো মুখে উষ্ণ হাসি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ সকাল দশটা। শীতের তীব্রতা তখনো কাটেনি। গ্রামের ধুলোমাখা পথ ধরে খোলা মাঠে হাজির বিভিন্ন বয়সী হাজারো নারী-পুরুষ। সবার চোখ শীত নিবারণে উষ্ণতাময় কম্বলের দিকে। এক ঘণ্টার মধ্যে এক হাজার কম্বল শেষ।

সবার হাতে কম্বল মুখে উষ্ণতার হাসি। এই হাসি শীতের সকালে উঁকি দেয়া সূর্যের থেকেও বেশি দৃপ্তিময়। ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা কালজানি নদীর তীরবর্তী এলাকায় দাপুটে শীত হেরেছে সহস্রাধিক মানুষের উষ্ণ হাসিতে।

শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) সকালে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের শালজোড় সরকার বাড়ী মোড়ে এমন দৃশ্য দেখে যায়। যেন শীতের সকালে পৌষের বিদায় লগ্নে বসেছিল হাজারো বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, শিশু-কিশোরসহ নানান বয়সী মানুষের মেলা।

নদী তীরবর্তী এই দুর্গম এলাকার এক হাজার দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এম্বাসি অফ দ্যা পিপলস রিপাবলিক অফ চায়না ইন বাংলাদেশ এবং এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ-চায়না অ্যলুমনি এর সহযোগিতায় ইমপ্যাক্ট ইনিসিয়েটিভ শীতবস্ত্র বিতরণের আয়োজন করে।

বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার দেব শর্মা বলেন, গ্রামীণ জনপদের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে সরকারের পাশাপাশি বিত্তবান মানুষ এবং উন্নয়ন সহযোগী সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। সন্তানদের লেখাপড়া করানোর পাশাপাশি বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে হবে। আমরা সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে পারলে পরিবর্তন সম্ভব। এসময় তিনি শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ আয়োজনের জন্য ভূয়সী প্রসংশা করেন।

রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের কার্যকরী সদস্য সাংবাদিক এনামুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনূর আলম, কুড়িগ্রাম প্রতিদিন অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক নাহিদ হাসান নিবিড়, ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল হক, শালজোড় বিওপি ক্যাম্প কমান্ডার দেলোয়ার হোসেন, মোজাহার হোসেন প্রমুখ।

এদিকে দুর্গম চরাঞ্চলে শীতবস্ত্র বিতরণে খুশী সুবিধাভোগী মানুষেরা। শালজোড় গ্রামের পঁচাশি বছর বয়সী বৃদ্ধ হবিউর রহমান বলেন, নদীর এপারে কেউ সহযোগিতা নিয়ে আসতে চায় না। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না। এই জন্য আমাদের কষ্টও বেশি। এবার শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় আমার মতো বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে। আজ কম্বল পেয়ে ভালো লাগছে।

শতবর্ষী গঞ্জর আলী বলেন, কম্বল পানু, উপকার হইবে। মুই খুব খুশি বাবা। হামার মতো গরীবোক যদি সরকারের লোকেরা ঠিক মতো দ্যাকে, তাইলে কষ্ট আরো কমিল হয়।

কম্বল পেয়ে হবিউর রহমান ও গুঞ্জর আলীর মতো সবার মুখেই ছিল উষ্ণতার হাসি। কৃষক কৃষাণি থেকে শুরু করে দিনমজুর, শ্রমিক, হতদরিদ্র শিক্ষার্থী ও অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
শীতের সকালে হাজারো মুখে উষ্ণ হাসি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ সকাল দশটা। শীতের তীব্রতা তখনো কাটেনি। গ্রামের ধুলোমাখা পথ ধরে খোলা মাঠে হাজির বিভিন্ন বয়সী হাজারো নারী-পুরুষ। সবার চোখ শীত নিবারণে উষ্ণতাময় কম্বলের দিকে। এক ঘণ্টার মধ্যে এক হাজার কম্বল শেষ।

সবার হাতে কম্বল মুখে উষ্ণতার হাসি। এই হাসি শীতের সকালে উঁকি দেয়া সূর্যের থেকেও বেশি দৃপ্তিময়। ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা কালজানি নদীর তীরবর্তী এলাকায় দাপুটে শীত হেরেছে সহস্রাধিক মানুষের উষ্ণ হাসিতে।

শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) সকালে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের শালজোড় সরকার বাড়ী মোড়ে এমন দৃশ্য দেখে যায়। যেন শীতের সকালে পৌষের বিদায় লগ্নে বসেছিল হাজারো বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, শিশু-কিশোরসহ নানান বয়সী মানুষের মেলা।

নদী তীরবর্তী এই দুর্গম এলাকার এক হাজার দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এম্বাসি অফ দ্যা পিপলস রিপাবলিক অফ চায়না ইন বাংলাদেশ এবং এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ-চায়না অ্যলুমনি এর সহযোগিতায় ইমপ্যাক্ট ইনিসিয়েটিভ শীতবস্ত্র বিতরণের আয়োজন করে।

বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার দেব শর্মা বলেন, গ্রামীণ জনপদের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে সরকারের পাশাপাশি বিত্তবান মানুষ এবং উন্নয়ন সহযোগী সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। সন্তানদের লেখাপড়া করানোর পাশাপাশি বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে হবে। আমরা সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে পারলে পরিবর্তন সম্ভব। এসময় তিনি শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ আয়োজনের জন্য ভূয়সী প্রসংশা করেন।

রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের কার্যকরী সদস্য সাংবাদিক এনামুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনূর আলম, কুড়িগ্রাম প্রতিদিন অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক নাহিদ হাসান নিবিড়, ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল হক, শালজোড় বিওপি ক্যাম্প কমান্ডার দেলোয়ার হোসেন, মোজাহার হোসেন প্রমুখ।

এদিকে দুর্গম চরাঞ্চলে শীতবস্ত্র বিতরণে খুশী সুবিধাভোগী মানুষেরা। শালজোড় গ্রামের পঁচাশি বছর বয়সী বৃদ্ধ হবিউর রহমান বলেন, নদীর এপারে কেউ সহযোগিতা নিয়ে আসতে চায় না। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না। এই জন্য আমাদের কষ্টও বেশি। এবার শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় আমার মতো বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে। আজ কম্বল পেয়ে ভালো লাগছে।

শতবর্ষী গঞ্জর আলী বলেন, কম্বল পানু, উপকার হইবে। মুই খুব খুশি বাবা। হামার মতো গরীবোক যদি সরকারের লোকেরা ঠিক মতো দ্যাকে, তাইলে কষ্ট আরো কমিল হয়।

কম্বল পেয়ে হবিউর রহমান ও গুঞ্জর আলীর মতো সবার মুখেই ছিল উষ্ণতার হাসি। কৃষক কৃষাণি থেকে শুরু করে দিনমজুর, শ্রমিক, হতদরিদ্র শিক্ষার্থী ও অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
শীতের সকালে হাজারো মুখে উষ্ণ হাসি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ সকাল দশটা। শীতের তীব্রতা তখনো কাটেনি। গ্রামের ধুলোমাখা পথ ধরে খোলা মাঠে হাজির বিভিন্ন বয়সী হাজারো নারী-পুরুষ। সবার চোখ শীত নিবারণে উষ্ণতাময় কম্বলের দিকে। এক ঘণ্টার মধ্যে এক হাজার কম্বল শেষ।

সবার হাতে কম্বল মুখে উষ্ণতার হাসি। এই হাসি শীতের সকালে উঁকি দেয়া সূর্যের থেকেও বেশি দৃপ্তিময়। ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা কালজানি নদীর তীরবর্তী এলাকায় দাপুটে শীত হেরেছে সহস্রাধিক মানুষের উষ্ণ হাসিতে।

শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) সকালে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের শালজোড় সরকার বাড়ী মোড়ে এমন দৃশ্য দেখে যায়। যেন শীতের সকালে পৌষের বিদায় লগ্নে বসেছিল হাজারো বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, শিশু-কিশোরসহ নানান বয়সী মানুষের মেলা।

নদী তীরবর্তী এই দুর্গম এলাকার এক হাজার দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এম্বাসি অফ দ্যা পিপলস রিপাবলিক অফ চায়না ইন বাংলাদেশ এবং এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ-চায়না অ্যলুমনি এর সহযোগিতায় ইমপ্যাক্ট ইনিসিয়েটিভ শীতবস্ত্র বিতরণের আয়োজন করে।

বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার দেব শর্মা বলেন, গ্রামীণ জনপদের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে সরকারের পাশাপাশি বিত্তবান মানুষ এবং উন্নয়ন সহযোগী সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। সন্তানদের লেখাপড়া করানোর পাশাপাশি বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে হবে। আমরা সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে পারলে পরিবর্তন সম্ভব। এসময় তিনি শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ আয়োজনের জন্য ভূয়সী প্রসংশা করেন।

রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের কার্যকরী সদস্য সাংবাদিক এনামুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনূর আলম, কুড়িগ্রাম প্রতিদিন অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক নাহিদ হাসান নিবিড়, ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল হক, শালজোড় বিওপি ক্যাম্প কমান্ডার দেলোয়ার হোসেন, মোজাহার হোসেন প্রমুখ।

এদিকে দুর্গম চরাঞ্চলে শীতবস্ত্র বিতরণে খুশী সুবিধাভোগী মানুষেরা। শালজোড় গ্রামের পঁচাশি বছর বয়সী বৃদ্ধ হবিউর রহমান বলেন, নদীর এপারে কেউ সহযোগিতা নিয়ে আসতে চায় না। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না। এই জন্য আমাদের কষ্টও বেশি। এবার শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় আমার মতো বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে। আজ কম্বল পেয়ে ভালো লাগছে।

শতবর্ষী গঞ্জর আলী বলেন, কম্বল পানু, উপকার হইবে। মুই খুব খুশি বাবা। হামার মতো গরীবোক যদি সরকারের লোকেরা ঠিক মতো দ্যাকে, তাইলে কষ্ট আরো কমিল হয়।

কম্বল পেয়ে হবিউর রহমান ও গুঞ্জর আলীর মতো সবার মুখেই ছিল উষ্ণতার হাসি। কৃষক কৃষাণি থেকে শুরু করে দিনমজুর, শ্রমিক, হতদরিদ্র শিক্ষার্থী ও অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
শীতের সকালে হাজারো মুখে উষ্ণ হাসি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ সকাল দশটা। শীতের তীব্রতা তখনো কাটেনি। গ্রামের ধুলোমাখা পথ ধরে খোলা মাঠে হাজির বিভিন্ন বয়সী হাজারো নারী-পুরুষ। সবার চোখ শীত নিবারণে উষ্ণতাময় কম্বলের দিকে। এক ঘণ্টার মধ্যে এক হাজার কম্বল শেষ।

সবার হাতে কম্বল মুখে উষ্ণতার হাসি। এই হাসি শীতের সকালে উঁকি দেয়া সূর্যের থেকেও বেশি দৃপ্তিময়। ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা কালজানি নদীর তীরবর্তী এলাকায় দাপুটে শীত হেরেছে সহস্রাধিক মানুষের উষ্ণ হাসিতে।

শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) সকালে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের শালজোড় সরকার বাড়ী মোড়ে এমন দৃশ্য দেখে যায়। যেন শীতের সকালে পৌষের বিদায় লগ্নে বসেছিল হাজারো বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, শিশু-কিশোরসহ নানান বয়সী মানুষের মেলা।

নদী তীরবর্তী এই দুর্গম এলাকার এক হাজার দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এম্বাসি অফ দ্যা পিপলস রিপাবলিক অফ চায়না ইন বাংলাদেশ এবং এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ-চায়না অ্যলুমনি এর সহযোগিতায় ইমপ্যাক্ট ইনিসিয়েটিভ শীতবস্ত্র বিতরণের আয়োজন করে।

বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার দেব শর্মা বলেন, গ্রামীণ জনপদের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে সরকারের পাশাপাশি বিত্তবান মানুষ এবং উন্নয়ন সহযোগী সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। সন্তানদের লেখাপড়া করানোর পাশাপাশি বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে হবে। আমরা সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে পারলে পরিবর্তন সম্ভব। এসময় তিনি শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ আয়োজনের জন্য ভূয়সী প্রসংশা করেন।

রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের কার্যকরী সদস্য সাংবাদিক এনামুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনূর আলম, কুড়িগ্রাম প্রতিদিন অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক নাহিদ হাসান নিবিড়, ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল হক, শালজোড় বিওপি ক্যাম্প কমান্ডার দেলোয়ার হোসেন, মোজাহার হোসেন প্রমুখ।

এদিকে দুর্গম চরাঞ্চলে শীতবস্ত্র বিতরণে খুশী সুবিধাভোগী মানুষেরা। শালজোড় গ্রামের পঁচাশি বছর বয়সী বৃদ্ধ হবিউর রহমান বলেন, নদীর এপারে কেউ সহযোগিতা নিয়ে আসতে চায় না। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না। এই জন্য আমাদের কষ্টও বেশি। এবার শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় আমার মতো বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে। আজ কম্বল পেয়ে ভালো লাগছে।

শতবর্ষী গঞ্জর আলী বলেন, কম্বল পানু, উপকার হইবে। মুই খুব খুশি বাবা। হামার মতো গরীবোক যদি সরকারের লোকেরা ঠিক মতো দ্যাকে, তাইলে কষ্ট আরো কমিল হয়।

কম্বল পেয়ে হবিউর রহমান ও গুঞ্জর আলীর মতো সবার মুখেই ছিল উষ্ণতার হাসি। কৃষক কৃষাণি থেকে শুরু করে দিনমজুর, শ্রমিক, হতদরিদ্র শিক্ষার্থী ও অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুনঃ





Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *