Main Menu

শিবালয় অংশে যমুনা নদীতে চলছে ড্রেজার বাণিজ্য

শিবালয় (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি :
মানিকগঞ্জের শিবালয়ে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তিন ড্রেজার ব্যবসায়ী নান্নু,  আজগর ও ফরহাদ যমুনা নদীর জাফরগঞ্জ বাজারের পাশে ড্রেজার বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করছেন।

এতে নদীর পারের বেরিবাঁধসহ বাড়ঘর  ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

জাফরগঞ্জ এলাকার রজ্জব আলী নামে এক ব্যক্তি বলেন, তেওতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলায় জানিয়েও কোনো সমাধান হয়নি। তবে কয়েকদিন আগে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসে কয়েকটি ড্রেজারের পাইপ ধংস করে। তিনি চলে যাবার কিছু সময় পর তারা আবারও ড্রেজারের পাইপ মেরামত শুরু করে।

জাফরগঞ্জ এলাকার আরেক বাসিন্দা মজিবর রহমান বলেন, সরকার আমাদের ভিটে মাটি রক্ষায় এ বেরিবাধ করে দিলেও এই সকল ড্রেজারের কারণে এই বেরিবাধ এখন হুমকির মুখে। ড্রেজারের কারণে বর্ষাকালে এ বেরি বাঁধ ভেঙ্গে যাবার আশংকা রয়েছে। আমরা স্থায়ীভাবে ড্রেজার বন্ধের বিষয়ে উপজেলায় বহুবার গিয়েছি। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি কিছুই। এ কারণে আমরা এখন তিক্তবিরক্ত হয়ে গেছি। 

স্থানীয় এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, রাতে পড়তে বসলে এই ড্রেজারের শব্দে পড়তে পারি না। কাকে বলবো আমরা? উপজেলার কর্মকর্তা এসে এক দিন ড্রেজার ভেঙ্গে দেয় পরের দিন আবারও চলে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ বাজারের পশ্চিম পাশে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা । এ ছাড়াও ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে জাফরগঞ্জ বাজারের পাশে স্তূপ করে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে চাহিদা অনুযায়ী ব্যবসায়ীরা বালু বিক্রি করছেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।

শিবালয় উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন সুলতানা বলেন, যমুনা নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই । সম্প্রতি বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে কয়েকদিন আগে আমরা অভিযান চালিয়েছি। কিন্তু ড্রেজারের মালিক খুঁজে পাইনি। খোঁজ নিয়ে অবশ্যই এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *