Main Menu

এমএ করিম জাহাঙ্গীরকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক দেখতে চায় কর্মীরা

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,যুক্তরাষ্ট্র :
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুক্তরাষ্ট্র সফরকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্কের কমিউনিটিতে সরগরম হয়ে উঠছে। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারন অধিবেশনে যোগদানের উদ্দেশ্যে আগামী ১৯শে সেপ্টেম্বর বিকাল ৬টায় নিউইর্য়কের জেএফকে বিমান বন্দরে এসে পৌঁছাবেন। কোভ্ট-১৯ পরিস্হিতি বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা সাক্ষাৎ খুবই সীমিত পরিসরে অনুষ্টিত হইবে বলে বাপসনিউজকে একটি সুএ জানিয়েছে ।

ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী পরিবার প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সর্বাত্বক সাফল্য মন্ডিত করার জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহন করেছে। তারই অংশ হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের আয়োজনে ভ্যার্চুয়াল সমাবেশ অনুষ্টিত হইবে ২৪শে সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় একটি পাঁচতারা হোটেলে। এছাড়াও অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে জেএফকে এয়ার্পৌটে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে অভ্যর্থনা জানানো, এবং তাঁর জাতিসংঘ অধিবেশনে ভাষন দেওয়ার সময় তাকে সমর্থন জানিয়ে জাতিসংঘের সামনে শান্তি সমাবেশ সহ অন্যান্য কর্মসুচী। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী পরিবার এবং সহযোগী সংগটন সমূহ প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরকে সর্বাত্বক সাফল্য মন্ডিত করার জন্য ইতিমধ্যে প্রচার, প্রচারনা, জনসংযোগ ও টাউন হল মিটিং সহ ব্যাপক কার্যক্রম পালন করে যাচ্ছে।

নিউইয়র্কের কর্মসূচী শেষে সম্ভবতো ২৫শে সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী ওয়াসিংটন যাবেন এবং সেখান থেকে অক্টাবরের প্রথম দিনে লন্ডন হয়ে তিনি দেশে প্রত্যাবর্তন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নতুন কমিটির বিষয় নিয়ে দলের নেতা কর্মীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা হচেছ। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কর্মীরা এমএ করিম জাহাংগীরকে নতুন সাধারন সম্পাদক হিসাবে দেখতে চায় ।
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের একটা বিশাল অংশ সিলেটি ।দেশ ও বিদশ বিভূয়ে দলেরযুক্তরাষ্ট্রের সিলেটিদের বিশাল অংশ সক্রিয় ভাবে আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত ।এইসব কথা বিবেচনায় নিয়েই সিলেট থেকে কাউকে সাধারন সম্পাদকের পদে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে ।আর এই ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে নাম চলে আসে এমএ করিম জাহাংগীরের ।
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়ামের অন্যতম সদস্য এবং সাবেক স্বাস্হ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী শেখ ফজলুল করিম সেলিম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, প্রধানমন্ত্রীর অটিজম বিষয়ক উপদেষ্টা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল সহ আওয়ামী লীগ এবং যুবলীগের কেন্দ্রীয় অনেক নেতাদের বিভিন্ন সময়ে নিউইর্য়ক তথা যুক্তরাষ্ট্রে স্বাগত জানানো সহ প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সেবা প্রদানকারী যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী রাজনীতিতে প্রায় ৩৪ বছর যাবত সক্রিয় এবং সদা পদচারনামূখর সিলেট এম সি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগ, নিউইর্য়ক ইউনিভার্সিটির পাবলিক এডমিনিষ্টেশন এবং ইনফরমেশন টেকনোলজীর এককালিন মেধাবী ছাত্র, বর্তমানে নিউইর্য়ক সিটি সিভিল সার্ভিসের হিউম্যান রিসোর্স এডমিনিষ্টেশনে জব অপরচুনিটি স্পেশালিষ্ট হিসেবে কর্মরত ,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী যুব লীগের (কেন্দ্রীয় অনুমোদিত কমিটি হিসেবে) প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রাক্তন মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এম এ করিম জাহাংগীর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের এবার যদি নতুন কমিটি গঠন করা হয় তাতে সাধারন সম্পাদক পদে এমএ করিম জাহাংগীর একজন শক্তিশালী প্রার্থী।

১/১১ এবং বিভিন্ন আন্দোলন এবং সংগ্রামর পরীক্ষিত সৈনিক এম এ করিম জাহাংগীর একজন শিক্ষিত, মার্জিত এবং পরিছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি ছাড়া ও একজন অনলবর্ষী বক্তা হিসেবে সুপরিচিত।এম এ করিম জাহাংগীর হচ্ছেন বর্তমানে সিলেট নগরীর হযরত শাহজালাল (রহ:) দরগা মহল্লা ঝরনার পার্রস্হ পায়রা আবাসিক এলাকার স্হায়ী বাসিন্দা স্যার সলিমুল্লা মেডিকেল কলেজের এককালিন গ্যাজুয়েট প্রয়াত ডা: এম এ মুছাব্বির এর সুযোগ্য পূত্র ।

তার বাবা পাকিস্তান হেলথ সার্ভিসের একজন মেডিকেল অফিসার হিসেবে ফেন্চুগন্জ থানা হাসপাতালে দীর্ঘদিন চাকুরী করেছিলেন। এমএ করিম জাহাংগীর দীর্ঘ তিন যোগ ধরে নিরলস ভাবে দলের জন্য করে আসছেন।

বিগত ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময় কারামুক্তি আন্দোলন ,প্রবাসে বিএন পি জামাত জোটের সরকার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম মোকাবেলা কিংবা প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় জ্যাকব মিল্টন, সাফাদী ও সিজার গংদের মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্র রূখে দিতে তার বলিষ্ট ভূমিকা পালনের কথা সর্বজনবিদিত। তাছাড়াও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনে নিষ্টা ও সততার সাথে নেতৃত্ব দেওয়ার সুবাদে সিলেটাবাসীর নিকট রয়েছে ব্যাপক গ্রহনযোগ্যতা।

প্রবাসী সিলেটবাসী লোকজনের সাথে আলাপ আলোচনা করলেই বিষয়টির যথার্ততা খুঁজে পাওয়া যায়।

শেয়ার করুনঃ





Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *