প্রতিবেদকঃ
পুলিশ বাহিনীতে ভালো কাজ করার অমিত সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনা ও আইনি সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে পুলিশকে মানুষের প্রথম ভরসাস্থলে পরিণত হতে হবে।
সোমবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে বরিশাল জেলা পুলিশ লাইন্সে বরিশাল রেঞ্জ, বরিশাল মেট্রোপলিটন ও অন্যান্য পুলিশ ইউনিটের প্রায় আড়াই হাজার পুলিশ সদস্যের সঙ্গে প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।
মতবিনিময় সভার শুরুতে অকাল প্রয়াত পুলিশের এআইজি সাঈদ তারিকুল হাসান ও বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এসি আনিসুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
পুলিশ প্রধান বলেন, পুলিশের হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা হওয়ার সুযোগ রয়েছে। অফিসার ইনচার্জই (ওসি) হবেন তার এলাকার হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা। বিট পুলিশের কর্মকর্তা হবেন ওই বিটের হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা।
তিনি বলেন, এখন সময় এসেছে পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে। জনগণকে নির্মোহ সেবা দিতে হবে। বিনিময়ে তাদের শ্রদ্ধা পাবেন, ভালবাসা পাবেন।
আইজিপি বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে পুলিশ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এবার করোনাকালে জনসেবায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো।
মানুষ এর প্রতিদানও দিয়েছে। করোনাকালে সম্মুখযোদ্ধা পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসায় গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল আধুনিকায়ন করা হয়েছে। বিভাগীয় হাসপাতালের আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। পুলিশ সদস্যদের সন্তানদের শিক্ষায় আটটি বিভাগে আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হচ্ছে। পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে যথাসম্ভব সকল উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কল্যাণ ও শৃঙ্খলা এক নয়। শৃঙ্খলার সঙ্গে কোনভাবেই আপোষ করা হবে না।
এ সময় সভায় উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যগণ বিভিন্ন বিষয়ে আইজিপির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আইজিপি উত্থাপিত বিষয়সমূহ বিবেচনায় নিয়ে তা সমাধানের আশ্বাস দেন। এর আগে সোমবার সকালেই আইজিপি বরিশালে জেলা পুলিশ সুপারের নবনির্মিত কার্যালয় ও তিনি জেলা পুলিশ লাইন্সের প্রধান ফটক প্রত্যয় উদ্বোধন করেন।