মো: ইমাম উদ্দিন সুমন, নোয়াখালী:
নোয়াখালী সুবর্ণচরে পাওনা টাকা চাওয়ায় ২ নারীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে, ঘটনাটি ঘটে চর আমান উল্যাহ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নোয়াপাড়া গ্রামে।
ভুক্তভোগি নোয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল খালেকের স্ত্রী জরিনা খাতুন (৪০) অভিযোগ করে বলেন, “আমার মা হাজেরা খাতুনের কাছ থেকে একই গ্রামের প্রতিবেশী মোঃ সেলিমের স্ত্রী কমলা খাতুন (৩২) তার জরুরী টাকার প্রয়োজনে ৫০ হাজার টাকা ধার (হাওলাত) নেন।
টাকা দেয়ার সময় পার হয়ে গেলেও কমলা খাতুন সে টাকা পরিশোধ করেনি, টাকা দেবে মর্মে কয়েকটি তারিখ দেয়ার পরেও টাকা পরিশোধ না করায় একাধিক বার বাকবিতন্ডা হয় তাদের মধ্যে। সম্প্রতি জরিনা খাতুনের মা হাজেরা খাতুন অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য পূণরায় কমলা খাতুনের কাছ থেকে পাওনা টাকা চাওয়া হলে তিনি দিতে অস্বিকৃতি জানায় এবং গাল মন্ধ করে।
গত ২ জুলাই আবারো টাকা চাইতে গেলে একই গ্রামের মৃত সাইদুল হকের পুত্র মোঃ উকিল (৩০), ইব্রাহিম (৪০) কমলা বেগম ও তার মেয়ে শারমিন আক্তার হাজেরা বেগমকে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে, মাকে বাঁচাতে জরিনা খাতুন দৌঁড়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে এবং তার মাথার চুল কেটে দেন”। তাদের শৌরচিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাদের উদ্ধার করে সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ৩দিন চিকিৎসা শেষে আহতরা বাড়ী ফিরে যান।
এ ঘটনায় জরিনা খাতুন বাদী হয়ে চরজব্বার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
এবিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে আলাপ করতে চাইলে একাধিকবার ফোন করেও তাদের না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্বব হয়নি।
৯নং ওয়ার্ড মেম্বার সাহাব উদ্দিন বলেন, কমলা বেগম টাকাটা সুদের ওপর নিতে পারে, তারা সবাই আত্বীয় স্বজন, তবে দির্ঘদিন চলাচলের জায়গা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা চরজব্বার থানার এসআই দীপক বলেন, অভিযোগ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি তদন্ত কাজ চলমান আছে, আগামি রোববার উভয় পক্ষকে আসতে বলেছি।
ঘটনার বিষয়ে দোষিদের উপযুক্ত শাস্তির দাবী জানান এলাকাবাসী ।