মুছাপুরে দুস্থ্যদের মাঝে নগদ ৫লক্ষ টাকা বিতরণ করলেন চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও উনার ছোটভাই পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার আহবানে মুছাপুরে নাগরিক সচেতনতায় কাজ শুরু করেন।প্রথমে পৌর মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার অর্থায়নে ত্রান বিতরন শুরু করেন। ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যকেটা মেম্বার এর সম্বনয়ে,বাংলাদেশ আওয়ামী মুছাপুর শাখার আওয়ামীলীগ সহযোগী সংগঠনের প্রতিটি ইউনিটে মাধ্যমে প্রথমে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান ও মাস্ক বিতরণ করেন। মুছাপুর প্রত্যেকটা বাজারে গ্রাম পুলিশ ও প্রশাসনের সহযোগীতায় ঘরে রাখার জন্য মানুষকে উৎসাহিত করেন।

পরবর্তীতে লক ডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে কর্মহীন, শ্রমিক,দিনমজুর,ছিন্নমূল, অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন এরই ধারাবাহীকতায় ঈদ উপলক্ষে মুছাপুরের দলীয় নেতা কর্মিদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে তার পরিবারের তহবিল থেকে ৫ লক্ষ টাকার নগদ অর্থ বিতরন করেন।

আলোকিত বার্তা২৪.কম এর মাধ্যমে নজরুল ইসলাম শাহীন চৌধুরী মুছাপুরের সর্ব সাধারণ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী সকল বন্ধুবর্গ এবং পরিবার পরিজনকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।সর্বশেষ মুছাপুরে সাধারন মানুষদের উদ্দ্যের্শে তিনি বললেন-
মুসলমানদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসবের একটি হলো ঈদুল ফিতর। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর খুশির বার্তা নিয়ে আসে ঈদ। চারদিকে থাকে উৎসবের আমেজ।

সারা রমজান মাস সন্ধ্যাবেলা থেকে মধ্যরাত অবধি কেনাকাটা করেন মানুষ। ঈদে ঘরে ঘরে আয়োজন থাকে বাহারি নানা খাবারের। ছোট-বড় সবার পরনে নতুন কাপড়। বাবা-ছেলে, ভাই-বন্ধু সকলে মিলে দলবেঁধে ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়া। এসব আনন্দ নিহিত থাকে ঈদকে ঘিরে। কিন্তু এবারের ঈদ এমন এক সময় এসেছে যখন সমগ্র বিশ্ব করোনায় আক্রান্ত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এমন মহাদুর্যোগ আর কখনোই আসেনি। অদৃশ্য করোনা ভাইরাস পাল্টে দিয়েছে ঈদের চিরচেনা সেই আমেজ। প্রতিটি মুহূর্তেই সংক্রমিত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে।

এমন অবস্থায় এবারের ঈদের আনন্দ অন্যরকম রূপ নিয়েছে , কঠিন যুদ্ধের সম্মুখীন গোটা জাতি। যা থেকে বাদ নয় আমাদের প্রিয় শহর নোয়াখালীও।কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে নোয়াখালী বাসী ঈদের এই আনন্দের সময় পার করছে। প্রতিদিন এখানে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, নোয়াখালীর মানুষ ও চেষ্টা করছে করোনাকে জয় করে দ্রুত এই অবস্থা থেকে উত্তরণ করার।

এই দুঃসময়ে সবাইকে ঘরে থেকে ঈদের এই সময়ে নিজের পরিবারকে সময় দিয়ে ঘরে থাকার মধ্যেই আনন্দ উপভোগের অনুরোধ জানাচ্ছি ।

মনে রাখবেন, নতুন জামা ছাড়াও ঈদ হবে কিন্তু ক্ষনিকের এ আনন্দের জন্য পরিবারের কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে তা বিষাদে পরিণত হবে।

আর ঈদের এ সময়ে পাশের মানুষটির খোঁজ খবর রেখে একে অপরের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ করছি। ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে সবাইকে ক্ষুদামুক্ত রাখার চেষ্টা করবো।

পরিশেষে বলবো এবারের ঈদে ঘরে থাকবো , সুস্থ থাকবো , নিজের পরিবার ও অন্যকে নিরাপদ রাখবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *