সোনাগাজী(ফেনী) প্রতিনিধি :
সোনাগাজী পৌরসভার জিরোপয়েন্ট সংলগ্ন স্বাস্থ্য বিভাগের একটি পরিত্যক্ত ভবন এখন উম্মুক্ত গণশৌচাগার। একদা এখানেই ছিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। যেখানে বর্তমানে একটি কক্ষে টিকাদান কেন্দ্র, একটি কক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদ, অপর কক্ষে একটি ফার্মেসী রয়েছে। ভবনটির পুর্ব পাশে নবনির্মিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ও মডেল থানা, পশ্চিম পাশে আওয়ামী লীগ কার্যালয় আর দক্ষিনে নোয়াখালী-চট্টগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়ক ।
মঙ্গলবার সকালে বাংলারদর্পন’র ক্যামরায় ধরা পড়ে এক যুবকের মলত্যাগের চিত্র । ওই যুবক জানায়, জিরোপয়েন্ট সংলগ্ন কোন গণশৌচাগার না থাকায় এখানেই বাজারের লোকজন প্রস্রাব করতে হয়। দেখা গেছে এমন একটি গুরুত্বপুর্ন স্থানে ২৪ ঘন্টা উম্মুক্ত গণশৌচাগার হিসেবে ব্যাবহার হচ্ছে । নিয়মিত নানান রোগের জীবানু ও দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে ।
স্থানীয় এক দোকান মালিক বলেন, এখানে হাসপাতাল কমপ্লেক্স ছিল । ৪০বছর আগে পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হয়েছে। এখনও হাসপাতালের দখলেই আছে এ ভবন। তবে পরিত্যক্ত ঘোষনা হওয়ায় জায়গাটির মালিকানা দাবি করছে জেলা পরিষদ। আবার পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বলছে জেলা পরিষদ থেকে ইজারা নিয়েছেন তারা। এ নিয়ে কয়েকবার দেন দরবারও হয়েছে। তিন দপ্তরের টানাটানিতে দুর্ভোগের বিষয়টি দেখার কেউ নেই । অভিযোগ শোনারও কেউ নেই ।
স্থানীয় কাউন্সিলর নুরনবী লিটন বাংলারদর্পনকে বলেন, বিরোধপুর্ন এ জায়গা বর্তমানে আমাদের গলার কাটা। মালিকানা নির্ধারণ করে দ্রুত পরিবেশ রক্ষায় ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
নবনিযুক্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. উৎফল দাস বাংলারদর্পনকে বলেন, ভূমি বিরোধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।