Main Menu

কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়েছে নুসরাত হত্যা মামলার দন্ডপ্রাপ্তদের

ফেনী’ প্রতিনিধি :

ফেনী জেলা কারাগারে পৃথক কনডেম সেল ও ফাঁসির মঞ্চ না থাকায় সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্তদের কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। তাদের কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর অনুমতি দেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মোস্তফা কামাল পাশা।

সোমবার (১১ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেনী জেলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদের বলেন, সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ১৬ জনের মধ্যে ১৪ জনকে কুমিল্লা ও দুই নারীকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। 

এদের মধ্যে ১৩ জনকে আজ মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদের বলেন, মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ উদ দৌলার বুধবার (১৩ নভেম্বর) আদালতে মামলার দিন ধার্য আছে। আদালতের কার্যক্রম শেষে তাকে ওই দিনই কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে ওই দিনই দণ্ডপ্রাপ্ত কামরুন নাহার মনি ও উম্মে সুলতানা ওরফে পপিকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্যান্যরা হলেন- নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, হাফেজ আব্দুল কাদের, আবছার উদ্দিন,আব্দুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, মোহাম্মদ শামীম, মাদরাসার গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি রুহুল আমীন ও মহিউদ্দিন শাকিল।

গত ২৪ অক্টোবর আলোচিত নুসরাত হত্যা মামলার ১৬ আসামির সবাইকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ। তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

ফেনীর সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদের আরও বলেন, যেসব আসামির দীর্ঘমেয়াদি শাস্তি ও মৃত্যুদণ্ড হয় সেসব আসামিকে জেলা কারাগারে না রেখে নিরাপত্তাজনিত কারণে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর জন্য কারাবিধিতে নির্দেশনা রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এছাড়া কেন্দ্রীয় কারাগারগুলোতে জনবল ও কনডেম সেলের সংখ্যা বেশি। তাদের পরিচালনার জন্য যা যা প্রয়োজন সব সেখানে রয়েছে। ফেনী জেলা কারাগারে ফাঁসির কোনো মঞ্চ নেই, সেখানে সব রয়েছে। যদি তাদের ফাঁসি কার্যকর হয় সেখানেই হবে।

 

প্রসঙ্গত, ৬ এপ্রিল সোনাগাজী ইসলামীয়া মাদরাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *