আবুল কালাম আজাদ >>>
ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলাধীন, উত্তর জয়নগর ৭নং ওয়ার্ডের রশীদ মাঝি বাড়ির রতন মাঝির ছেলে আকতার, বছর পাচেক আগে নৌবাহিনীতে যোগ দেয়। নৌবাহিনীতে যোগ দেয়ার পরপরই তার দাপট ও এলাকায় আধিপত্য বেড়ে যায়। এলাকার নিরীহ মানুষের সাথে জুলুম অত্যাচার নির্যাতনের মাধ্যমে মুহ্যমান আতংকে রুপ নেয় তার পরিবার। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনসহ একাধিক অভিযোগ এসেছে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে। তার এধরনের ন্যাক্কারজনক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের গর্ব নৌবাহিনীর সুনাম ও অর্জন ক্ষুন্ন হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি নৌবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখার জন্য।
গত ১২আগস্ট ঈদুল আযহার দিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬ঘটিকার দিকে, ভোলার দৌলতখান উপজেলাধীন, উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের (মিয়ারহাট বাজারের পশ্চিম পাশে), রশিদ মাঝি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আছমা ও ইয়াসমিন নামে দুই নারীকে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে, আকতার নামে নৌবাহিনীর এক সদস্য। আহত দুই নারী একই বাড়ির আব্দুল মান্নানের মেয়ে।
সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত নৌ সদস্য আকতার ও আব্দুল মান্নান সম্পর্কে চাচা ভাতিজা, জায়গা সম্পত্তির পুর্ব বিরোধের জের ধরে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আকতার তার চাচা মান্নানকে চর থাপ্পড় দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। বাবাকে উদ্ধারে মান্নানের দুই মেয়ে আসমা ও ইয়াসমিন এগিয়ে আসলে আকতার তাদেরকে বেধড়ক পিটায় এবং মাথায় তুলে বেশ কয়েকবার মাটিতে আছড়ে ফেলে।
মারাত্মক আহতবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল ১৪/০৮/২০১৯ইং ভোলা কোর্টে অভিযুক্ত আকতারকে প্রধান আসামি করে পাচজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে যার নং ১১১/১৯.