সৈয়দ মনির আহমদ>>
ফেনী-৩ (সোনাগাজী -দাগনভুঞা) আসনে ১৪জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মহাজোট মনোনীত জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. জেনারেল (অবঃ) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত বিএনপি নেতা আবদুল লতিফ জনি,
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বর্তমান সাংসদ হাজী রহিম উল্লাহ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবুল বাশার ও তার ছেলে ইসতিয়াক আহমেদ সৈকত, দাগনভূঞা বিএনপির সভাপতি আকবর হোসেন , সাবেক জাতীয় পার্টির নেতা আনোয়ারুল কবির রিন্টু, হাসান আহম্মদ, গোলাম হোসেন, মো. মাঈন উদ্দিন।
জেএসডির যুগ্ম-সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, বাসদ প্রার্থী হারাধন চক্রবর্তী, বিএনএফের শাহরিয়ার ইকবাল, ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী আবদুর রাজ্জাক।
২৮ নভেম্বর মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে শোডাউনের মাধ্যমে মহাজোটের মাসুদ চৌধুরী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসতিয়াক সহ ওই ১৪জন প্রার্থী রিটার্নিং কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামানের কার্যালয়ে মনোনয়ন দাখিল করেন।
মনোনয়ন দাখিলের পর মহাজোট প্রার্থী মাসুদ চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামীলীগ, দাগনভুঞা উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত পৃথক পৃথক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন। তিনি মহাজোট নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্ননয়নের ধারা অব্যহত রাখতে ভোট চান।
এছাড়া সোনাগাজী উপজেলার ওলামাবাজার, মনগাজী বাজার, মুক্তিযোদ্বা মানু মিয়ার বাজার, নবাবপুর বাজার, আমির উদ্দিন মুন্সির বাজার, ভোরবাজার ও মতিগঞ্জে গনসংযোগ করেন। দাগনভুঞা পৌর শহরে ব্যাবসায়ীদের সাথে কৌশল বিনিময় ও গনসংযোগ করেন।
মনোনয়ন দাখিলের পর থেকে অন্য প্রার্থীদের মাঠে দেখা যায়নি।
জানা যায়, মনোনয়ন দাখিলের পর থেকে ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী বিএনপি নেতা আবদুল লতিফ জনি, স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সাংসদ হাজী রহিম উল্লাহ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবুল বাশার ও তার ছেলে ইসতিয়াক আহমেদ সৈকত, দাগনভূঞা বিএনপির সভাপতি আকবর হোসেন , সাবেক জাতীয় পার্টির নেতা আনোয়ারুল কবির রিন্টু ঢাকায় অবস্থান করছেন।
#বাংলারদর্পন।