বিএনপিকে হাইকোর্ট দেখাতে ইসিকে নির্দেশ হাইকোর্টের

নিউজ ডেস্ক :

কোথাও সুবিধা করতে পারছে না সুযোগসন্ধানী দল হিসেবে পরিচিত বিএনপি। নিজেদের শাসনামলের চরম ব্যর্থতা আজও ভোগাচ্ছে জনধিকৃত এই দলটিকে। জনতার ব্যালটে ‘কাঙালপ্রায়’ দলটি তাদের ব্যর্থতার ধারা রীতিমতো বজায় রেখে চলেছে। বর্তমান সরকারের অর্জিত সমৃদ্ধি আর অর্জনে যেন এশিয়ার এক উদীয়মান বাঘের গর্জন শুনছে বিশ্ববাসী। এবার বিএনপিকে হাইকোর্ট দেখাতে যাচ্ছে ইসি।

এমনিতেই ইস্যুবিহীন আন্দোলন করতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে দিশেহারা বিএনপি। তাদের জন্য টিস্যুর মজুদ বাড়াতে গিয়ে ব্যবসায়ীরা হিমশিম খাচ্ছেন কিনা, তা জানা সম্ভব না হলেও ‘বাংলাদেশ নালিশ পার্টি হিসেবে পরিচিত দলটি যে সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুমোদন করতে ইসিকে প্রস্তাব করেছেন, তা গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।

এমনিতে প্রায় নানান অজুহাতে বিএনপির তথাকথিত প্রতিনিধি দল ইসিতে যান। ইসির সৌজনৌতায় সেখানে চা-নাস্তা খেয়ে, ইনিয়ে বিনিয়ে নির্বাচন কমিশনারদের প্রতিই অনাস্থা জানায় ‘কী করি আজ ভেবে না পাই’ স্লোগানের প্রতিনিধিদল। যদিও ইসি তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করছে শতভাগ সফলভাবেই।

বিশ্বব্যাপী সমাদৃত ইভিএম মেশিন নিয়েও আপত্তি তাদের। ভাগ্যিস, মুখ ফসকে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়ে দেয়ার আবেদন করে বসেননি প্রতিনিধি দলের অতিরিক্ত মাত্রায় ক্ষমতালোভী নেতারা।

‘ভদ্রতার খাতিরে’ ইসি তাদের প্রস্তাবসমূহ বিবেচনার আশ্বাস দিলেও এবার বিএনপির একহাত নিয়েছে হাইকোর্ট। স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার এই যুগে বিএনপি যেসকল প্রলাপ আওড়ে যাচ্ছে, তার পুরোটাই সংবিধান বহির্ভূত ও জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাহীনতার নজির।সেইসাথে বিএনপির সংশোধিত গঠনতন্ত্রও গ্রহণযোগ্য নয় বলে মনে করে হাইকোর্ট। অগ্নিসন্ত্রাস-গ্রেনেড হামলা-সীমাহীন দুর্নীতিতে জনবিচ্ছিন্ন বিএনপির দুঃশ্চিন্তা আরো বাড়লো, তা নিশ্চিত করেই বলা যায়।

বিএনপির চরিত্র অবশ্য জানে দেশ বিদেশের আদালতও। কানাডার আদালত তো বিএনপিকে সরাসরি ‘সন্ত্রাসী দল’ হিসেবেই আখ্যায়িত করেছে। বাংলাদেশের আদালতেও বিএনপি ধিকৃত হয়েছে অসংখ্যবার। তবে, কথায় আছে, ‘কানে দিয়েছি তুলো, পিঠে বেঁধেছি কুলো কুলো’। বিএনপির যেন হয়েছে সেই দশা।

এবার তাদের কলংকের ঝুলিতে যোগ হয়েছে আরো একটি ঘটনা।

হাইকোর্টের বিচারপতি আশরাফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী’র সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ বিএনপির সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে ও তাদের আবেদন বাতিল করতে ইসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি ইসিকে ৩০ দিনের সময়ও বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্টের ৩৩ নং বেঞ্চের বিজ্ঞ এই দুই বিচারক।

এই ঐতিহাসিক রায়ের ফলে ‘অন্ধকারের দল’ বিএনপির কালের গহ্বরে হারিয়ে যাবার পথ নিশ্চিত হলো, এমনটাই ভাবছেন আইন বিশেষজ্ঞেরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *