কোটা সংস্কার আন্দোলনে বাড়ছে অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা | বাংলারদর্পন

নিউজ ডেস্ক :

কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে অভিভাবকের দুশ্চিন্তা বাড়ছে।এতদিন এ আন্দোলন সাধারন শিক্ষার্থীদের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন এটি পরিচালিত হচ্ছে স্বাধীনতা বিরোধী ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জামায়েতে ইসলামী বাংলাদেশ ও দীর্ঘ দিন ক্ষমতার বাইরে থাকা ও রাজনৈতিক ভাবে দেউলিয়া হওয়া দল বিএনপি কর্তৃক।আগে এ আন্দোলনে অভিভাবকের একাত্মতাথাকলেও এখন সেখান থেকে সরে এসেছেন অভিভাবকরা।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরেও কেন শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামছেন সে বিষয়েও প্রশ্ন তুলছেন তারা।তারা বলছেন, একদিনেই সব কাজ করা সম্ভব নয়।কোটা ব্যবস্থা একটি জটিল বিষয়।এটিকে সংস্কার সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।সরকারের সদিচ্ছাকে স্বাগত জানিয়েছেন তারা।সেই সাথে শঙ্কাও দেখা দিয়েছে তাদের মনে।আন্দোলনকারীরা এখন এই আন্দোলনকে সহিংসতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে।ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা পাচ্ছে না সাধারন শিক্ষার্থীরা।আন্দোলনকারীরা হুমকি দিয়ে মিছিলে যোগ দিতে বাধ্য করছে শিক্ষার্থীদের, এমনটাও জানিয়েছেন একাধিক অভিভাবক।তারা জানান, নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তার কথা।নারী শিক্ষার্থীদের বাধ্য করা হচ্ছে মিছিলে যেতে।ছাত্ররা অনেকে হল ছেড়ে নিরাপদে চলে গেলেও নারী শিক্ষার্থীদের সেই সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়েই তাদের হলে থেকে যেতে হচ্ছে।আন্দোলনে যোগ না দেওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীকে মারধরের খবরও পাওয়া গেছে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে।এই সকল বিষয়নিয়ে দুশ্চিন্তা ও শঙ্কায় আছে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, আন্দোলন প্রাথমিক অবস্থায় অহিংস থাকলেও পরে তা সহিংসতায় রুপ নেয়।আন্দোলনের নেতৃত্বে চলে আসে শিবির ক্যাডাররা।সরকারের হার্ড লাইনের কারনে সুবিধে করতে না পেরে সহিংস হয়ে উঠে তারা।ঢাবি উপাচার্যের বাসায় দফায় দফায় হামলা চালায় তারা।বিভিন্ন হলে সাধারন শিক্ষার্থীদের জোর পূর্বক আন্দোলনে নেয় তারা।কেউ যেতে না চাইলে মারধরের শিকার হতে হয় তাদের।সব বিষয় মিলিয়ে নির্ঘুম রাত পার করছেন অভিভাবকরা।অনেক অভিভাবক শিক্ষার্থীদের বাড়ি নিয়ে গেছেন।অনেক শিক্ষার্থীর পার্ট টাইম চাকুরি ও টিউশন থাকায় তারা বাড়ি যেতে পারছেন না।শিক্ষার্থীদেরনিরাপত্তা ও সুরক্ষানিশ্চিতকরারজন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *