Main Menu

ফেনীতে নিষিদ্ধ কোচিং বিজ্ঞাপন দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন শিক্ষকরা

 

 

মো: আবদুল্লাহ রিয়েল-

ফেনী ৬ টি উপজেলায় বছর শুরু হতে না হতেই শিক্ষর্থী খুজতে নানা বিজ্ঞাপন নিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে বেড়াচ্ছেন ফেনী সদর উপর জেলা,ফুলগাজী,পরশুরাম,দাগনভূইয়া,ছাগলনাইয়া,সোনাগাজীর কোচিং সেন্টারের শিক্ষকরা।শিক্ষার্থীরা জোগাড় করতে প্রতিযোগিতা শুরু করেছে কোচিং সেন্টার গুলো।বুঝিয়ে শুনিয়ে অভিভাবকদের মন জয় করতে পারলেই জুটে যাচ্ছে শিক্ষার্থী।

শিক্ষকরা অল্প বেতনে পড়াশোনার প্রলোভন দেখান বলে কয়েকজন অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়।

এই ৬ টি উপজেলায় ঘুরে দেখাযায় প্রায় একহাজার কোচিং সেন্টার গড়ে উঠেছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর সামনে বড় বড় ডিজিটাল ব্যানার ফেস্টুন টাঙ্গিয়ে নিজেদের প্রচারনা চালাচ্ছে এই সব কোচিং সেন্টার। জানা যায়,এসব কোচিং সেন্টারের সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা বিভিন্ন সরকারী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকতা করেন।এ বিষয়ে অভিভাবকরা বলেছেন,স্কুলগুলোতে ভালো পড়ানো হয় না।এজন্য ভালো রেজাল্ট করানোর লক্ষ্যে বছরের প্রথম থেকেই সন্তানদের কোচিং সেন্টারে ভর্তি করাচ্ছেন।

একাধিক অভিভাবকরা বলেন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ভালোভাবে পড়ান কিন্তু স্কুলে ঠিকমত ক্লাস নেন না এজন্য এরকম বাধ্য হয়ে সন্তান কে কোচিংয়েই দিতে হচ্ছে বলে জানান তারা।ইতি মধ্যে তাদের সন্তান কে কোচিংয়েই ভর্তি করার জন্য অনেক শিক্ষক বাড়ীতে গিয়েছেন।এবং কম বেতনে পড়ানোর প্রস্তাব দেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেছে, ডিসেম্বর বার্ষিক পরিক্ষা দিয়ে কয়েকদিন খেলাধুলা করেছি এখন আবার কোচিং আর স্কুল খেলার ইচ্ছে করলেও সময় নেই।আরেক শিশু বলে বাবা মায়েরা শুধু ভালো রেজাল্ট চায়।আমার যে পড়ালেখার ফাকে খেলতে মন চায় সেটা তারা এক বারও বুঝার চেষ্টা করে না।

কোচিং সেন্টার সংশ্লিষ্ট কয়েক শিক্ষকের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন,স্কুলের পাশাপাশি কোচিংয়ে পড়াশোনা করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।এ জন্য স্কুল শেষে তারা শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন।কোচিং সেন্টারে বেড়া জাল থেকে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বের করে আনতে হবে।বর্তমানে সরকার শিক্ষানীতি আইন করার পরেও অনেক শিক্ষক সেই শিক্ষানীতি আইন মেনে না চলায় এই সমস্য হচ্ছে।কারণ বর্তমানে সরকার যদি মনে করে যেসব শিক্ষক কোচিং সেন্টারের সঙ্গে জড়িত তাদের বিল ভাতা বন্ধ করলে তারা শিক্ষার আইন মেনে চলবে বলে মনে হয়।

এজন্য কঠোর আইন করা জরুরী। কোচিং সেন্টার সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের মনিটরিং করা উচিত।স্কুলের সময়ে কোন কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীরা পড়তে পারবে না যদি কোন কোচিং সেন্টার পড়ায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।উলেখ্য আজ কাল কোন অনুষ্ঠানে রাজনীতি বিদদের কাছ থেকে শুনাজায়।

খেলাধুলার বিকল্প নেই খেলাধুলা মনের খোরাক তাহলে আমাদের আগামী প্রজন্মদদের মনের খোরাক নষ্ট করে দিচ্ছে কিছু টাকা প্রলোভন কারী শিক্ষক আমাদের সবার উচিত কমলময়ীদের আনন্দের সাথে দেশের ভবিষ্যৎ উজ্জল করার লক্ষে বুঝে শুনে তাদের ইচ্ছা শক্তিকে প্রসারিত করা।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *