আলমগীর হোসেন রিপন>>>
ঈদ মোবারক। আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর। মুসলিম জাতির জন্য অনেক বেশী খুশির দিন। ঈদকে উপলক্ষ করে ঈদের আগে পরে প্রায় মাস খানেক এ আনন্দ চলে।
বিশেষ করে দেখা যায়, ঈদকে উপলক্ষ করে বিভিন্ন যানবাহন/যাত্রীবাহী গাড়ী গুলো বাড়তি বাড়া আদায়, পণ্যের দোকানে ঈদ বোনাসের নামে বাড়তি টাকা আদায়। ফলের দোকানেও চলে বাড়তি টাকা আাদায়ের হিড়িক।
আমরা ঈদকে সামনে রেখে যেখানে সকল কার্যক্রম বন্ধ রেখে লম্বা ছুটি কাটিয়ে অনায়েশে চলাফেরা করছি। সেখানে এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কি তাদের ঈদের আনন্দ পরিবাবের সাথে ভাগাভাগী করতে দেশের বাড়ী অথবা কার্যক্রম রাখতে পারতো না???
যদি বন্ধ থাকতো তাহলে আমরা যারা লম্বা ছুটি নিয়ে দেশের বাড়ীতে বেড়াতে আসলাম অথবা ঈদ আড্ডা দিতে বিভিন্ন পর্যটন গুলোতে ঘুরে কোনো আনন্দ পেতাম???
তারা ঈদের আনন্দ মাটি করে অতীতের তুলনায় একটু বেশী পরিশ্রম করে শুধুমাত্র পরিবারের স্ত্রী-সন্তানদের বাড়তি আনন্দ দেয়ার জন্য যদিও তারা সেই আনন্দের ভাগ পায়না। তারা যা পায় তাহলো সামান্য বাড়তি টাকা।
আফসোসপের বিষয় হচ্ছে আমরা অনেক টাকার খরছের হিসাবও করিনা। কিন্তু সামান্য বাড়তি টাকা চাওয়াতে সিএনজি চালক, বাসের কনট্রাকটর, পর্যটন কেন্দ্রে অবস্থিত দোকানের কর্মচারীর সাথে যা-তা ব্যবহার করে থাকি। যা মোটেও আমাদের উচিত নয়।
তাই আসুন, ঈদ শুধু ধনীদের নয়, ধনী-গরীবের মাঝে ভ্রতৃত্বের বন্ধন তৈরীর সেতু। যার মাধ্যমে আমরা সকলে সকলের হওয়ার চেষ্টা করি। আমাদের যারা ঈদ উপলক্ষে পরিবার পরিজন ছেড়ে সেবা যত্ন করে তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হই। নিজেই হাসি মুখে তাদের পরিশ্রমের জন্য সামান্য বাড়তি টাকা প্রদান করি। এতে তারা যেমন খুশি তেমনি আমাদের উপর আল্লাহও খুশি। পরিপূর্ণতা পাবে ঈদের আনন্দ।
সকলেই চেষ্টা করি নিজের থেকে সচেতন হতে। সকল শ্রেণীর মানুষকে সম্মান করতে শিখি। এতে নিজেই সম্মানিত হবো।
সবাইকে আবারো পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। সম্মান জানাচ্ছি তাদের তারা পরিবার পরিজন ছেড়ে ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে দিতে আমাদের সহযোগিতা করছে। জয় হোক মানবতার।
লেখক –
সোনাগাজী প্রতিনিধি,
নতুন ফেনী ডটকম।