Main Menu

মানবাধিকার কর্মীদের অধিকারের প্রতি সরকারি কর্তৃপক্ষকে সম্মান প্রদান করতে হবে 

কাজী মিজানুর রহমান মিস্টার >>>

 

 

হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির কেন্দ্রীয় অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক কাজী মিজানুর রহমান মিস্টার এক বিবৃতিতে বলেন,

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন মানাবাধিকার রক্ষায় সরকারি কর্তৃপক্ষকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা উচিত । কিন্তু জেলা, উপজেলা পর্যায়ে অনেক কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন নয় । অথচ মানবাধিকার আমাদের বিশ্ব সংস্থা জাতিসংঘ কর্তৃক সর্বজন স্বীকৃত । জাতিসংঘের সদস্য ভুক্ত ১৯২টি দেশ এর ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনা করার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ । বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে এই কার্যক্রমের বাইরে নেই । বিশ্বে মানবতার অবক্ষয়ের সাথে সাথে মানবাধিকার সংরক্ষণ ও প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে অন্যান্য উন্নত দেশের মত বাংলাদেশেও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থাকে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে ।

 

অথচ রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের স্বাধীনভাবে কার্যক্রম চালাতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসনের অবহেলার কারণে কর্মীগণ সমস্যার সম্মুখীন হয় । মানবাধিকার বিষয়ে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ না থাকায় কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তা মানবাধিকার কর্মীদের কর্মকান্ডে সহযোগিতা না করে বিরোধিতা করে থাকে । একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে এই দুই স্রোতধারাকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করে কার্যক্রমে সহযোগিতা করা দরকার । অন্যথায় বিশ্ব মানবতাবোধকে অবহেলার কারণে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সরকারি কর্মকান্ডে জড়িতরাও ক্ষতিগ্রস্থ হয় । বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নগামী দেশে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করা উচিত ।

 

তিনি আরো বলেন ইউরোপ আমেরিকার পাশাপাশি এশিয়ার দেশ জাপানে মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব সহকারে দেখে । জাপানে পুলিশ প্রশাসনের জন্য নির্মিত বিশ তলা একটি ভবনের ৬টি ফ্লোর সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের ব্যবহারের জন্য দেয়া হয়েছে । তাদের দুপুরের খাবার ও কোন কোন সময় রাতের নৈশভোজ  সরকারিভাবে দেয়া হয় । সেই হিসাবে দেখা যায়, উন্নত দেশগুলো এগিয়ে যাওয়ার মূল কারণ মানবিক মূল্যবোধের প্রতি সম্মান প্রদর্শন। আমেরিকা, বৃটেন, ফ্রান্স, জার্মানী সহ বিশ্বের অনেক দেশ শাসনতান্ত্রিকভাবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে স্বীকৃতি দিয়েছে । তাই তারা আজকে বিশ্ব নেতৃত্বে সু-দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশকে আগামী দিনে ইমার্জিং টাইগার হিসেবে এগিয়ে যেতে হলে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের শাসনতান্ত্রিকভাবে স্বীকৃতি দিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া উচিত ।।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *