Main Menu

রোগীর গলাকাটা বন্ধে চিকিৎসকদের নীতিমালা প্রয়োজন

মন্তব্য প্রতিবেদনঃ সকল চিকিৎকদের উপর সম্মান রেখে বলছি, একজন রোগী যখন চিকিৎসকের কাছে যায় চিকিৎসকের সম্মানী ফি হিসাবে ৫০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা নেয়। বিনিময়ে চিকিৎসক রোগীর কথা শোনার আগেই উনার পরিচিত কোন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাভাবীক কিছু পরীক্ষা দিয়ে দেয় এবং নিয়মানুসারে ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে চিকিৎসক ৪০% কমিশন নেয় (কিছু নির্লোভী চিকিৎসক ব্যাতীত)। এরপর রোগী রিপোর্ট দেখাতে গেলে আরো ৫০% সম্মানী ফি দিতে হয়। রিপোর্ট ভালো করে দেখার আগেই ডাক্তার এমন কিছু অখ্যাত কোম্পানীর ঔষধ লিখে দেয় যে সব কোম্পানীর নাম কেউ কোনদিন শুনছে কিনা সন্দেহ। আবার দেখা যায় ১০ রকমের ঔষধ ১০ কোম্পানীর যাহা কিছু দিন আগে পত্রিকায় এসেছে। ডাক্তারের পেশক্রিপশন নিয়ে বেরুবার সাথে সাথে ঔষধ কোম্পানীর দালালেরা প্রেশক্রিপশনটা ছো মেরে নিয়ে নেয় তারপর দেখে তার কোম্পানীর ঔষধ লিখছে কিনা। কিছুদিন আগে আমি নিজেই এই ধরণের পরিস্থিতিতে পড়ে জিগ্যেস করলাম কেনো আমার প্রেশক্রিপশান সে নিলো, বলল ভাই কয়েকদিন আগেও একটা ল্যাপটপ কিনে দিয়েছি এরপর মাসিক মাশোয়ারাতো আছেই তাই দেখলাম আমাদের কোম্পানীর কোন ঔষধ দিয়েছে কিনা?? মাঝে মধ্যে ঔষধ কোম্পানীর খরছে স্ব-পরিবারে বিদেশে বেড়াতেও যায়। অথচ যেসব কোম্পানীর ঔষধ খেলে রোগীর রোগ ভালো হওয়ার চেয়ে খারাপ হয়ে যায় সেসব ঔষধ গুলো চিকিৎসকরা 10492141_864956203535408_4128402290951117034_nকোম্পানীর ঘুষের বিনিময়ে রোগীকে কিনতে বাধ্য করছে।

চিকিৎকরা যদি তাদের চিকিৎসা ফি এর বাইরে কোন ধরনের কমিশন না নেয় তাহলে প্রত্যেক রোগীর ৫০% থেকে ৬০% খরছ কমে যেতো এবং ভালো কোম্পানীর ঔষধ খেয়ে তাদের রোগ ভালো হয়ে যেতো।

এমতঃ অবস্থায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ মন্ত্রী ও স্বাস্থ সচিবের দৃষ্টি আকর্ষন করছি, সাধারণ রোগীদের কিছু সংখ্যক অর্থলোভী চিকিৎসকের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য অবিলম্বে চিকিৎসক ও চিকিৎসা নীতিমালা প্রনোয়ন করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। (জুলফিকার আলী মাসুদ, নির্বাহী সম্পাদক, বাংলার দর্পন)






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *