নিউজ ডেস্ক :
জাতীয় বিভিন্ন ইস্যুতে ব্যর্থ হওয়ায় আঞ্চলিক ইস্যুগুলো নিয়ে মাঠে নেমেছে সরকারের বিরুদ্ধ শক্তিগুলো। শক্তিমান চাকমা হত্যাসহ দুই দিনের ব্যবধানে পার্বত্য অঞ্চলের হত্যাকাণ্ডগুলো সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করছেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। পাহাড়ের কোন্দলকে হাতিয়ার করে আঞ্চলিক ইস্যু দিয়ে সরকারকে কোনঠাসা করতেই সরকার বিরোধীদের এমন তৎপরতা।
খালেদার মুক্তির দাবিতে বিএনপি আন্দোলন চালিয়ে গেলেও জনসমর্থনের অভাবে আশার আলো দেখেনি তা। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে না পেরে তাই ভিন্নপথ অবলম্বন করে বিএনপি। কোটা প্রথা সংস্কারের আন্দোলনে বিএনপির মদদ দেয়ার সুস্পষ্ট প্রমান পাওয়া যায়। তাতেও সুবিধা করতে না পেরে আঞ্চলিক ইস্যু দিয়ে সরকারকে ঘায়েল করতে চাইছে তারা।
পাহাড়ে কোন্দল রয়েছে, সেই কোন্দলের আগুনে ঘি ঢেলে ফায়দা হাসিল করতে মাঠে নেমেছে বিএনপি। জাতীয় নির্বাচনের আগে তাদের নতুন আরেক খেলা ‘পাহাড়ের অস্থিরতা’। জাতীয় রাজনীতিতে ব্যর্থ হয়ে কোথায় আঞ্চলিক ইস্যু আছে তা চিহ্নিত করছে বিএনপি । সেগুলোকে পুঁজি করে কীভাবে অস্থিরতা সৃষ্টি করা যায় সেই ছকই কষছে তারা।
পাহাড়ের পরিস্থিতির দিন দিন উন্নতি হচ্ছে, শান্তিচুক্তির সুফল পেতে শুরু করেছে পাহাড়িরা, ভূমি কমিশন বাস্তবায়ন হতে শুরু করেছে। এসব উন্নতি দেশি-বিদেশি অনেক শক্তি অপছন্দ করছে। আর সামনে নির্বাচন থাকায় দেশীয় শক্তিগুলো তা ভণ্ডুলে মাঠে নামছে। দুয়ে দুয়ে চার মিলে যাওয়ায় অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে পাহাড়ে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
দেশের মধ্যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তকারীরা সরকারকে কোনঠাসা করে সুফল ভোগ করতে চায়। তদন্ত কমিটি গঠন করে তাদের এ অভিসন্ধিকে নস্যাৎ করে দিতে সচেষ্ট বাংলাদেশ সরকার।