নিউজ ডেস্ক :
কোটা পদ্ধতি- বাংলাদেশের বর্তমানে একটি বহুল আলোচিত শব্দ। সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা উপলব্ধি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি বাতিল করেছেন। তবে এতে করে যাতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধীদের কোনো অসুবিধা না হয়, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আর প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপে শিক্ষার্থীদের কোনো হা হুতাশ বা আফসোস নেই। কারণ তারা মনে করেন, মেধা থাকলে কোটার দরকার নেই।
এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা কোটা সংস্কার আন্দোলনে জড়িত ছিল তাদের তথ্য ও ছবি সরকারের কাছে রয়েছে। তারা চাকরি না পেয়ে পরবর্তীতে যদি জেলা কোটার জন্য হতাশা প্রকাশ করে তখন সরকারের কিছু করা থাকবে না। এই সিদ্ধান্ত কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের সময় নেয়া হয়’।
আর এর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু মহল প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। নানান অতিরঞ্জিত পোস্টের মাধ্যমে তারা শিক্ষার্থীদের মনে নানা রকম আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। একটি সহজ বক্তব্যকে ঘোলাটে করার এই অপচেষ্টা ইঙ্গিত দেয়, সবে শেষ হওয়া এই আন্দোলনের গ্রহণযোগ্যতার দিকে। এটি কি কেবল ছাত্রদের আন্দোলনই ছিল, নাকি ছাত্রদের মাঠে নামিয়ে অন্তরালে থাকা কোনো গোষ্ঠী চেয়েছিলো তাদের স্বার্থ হাসিল করতে?