Main Menu

ফুলগাজীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী গৃহবধুর শ্লীলতাহানী ও নির্যাতনের অভিযোগ

ফেনী প্রতিনিধি ঃ ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে সোমবার রাতে প্রতিবন্ধী গৃহবধুর শ্লীলতাহানী ও তাকে রক্তাত করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। আহত গৃহবধু উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। 

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল আলীম ঘটনার ব্যাপারে বলেন রাতে পারিবারিক বিরোধের রায় কার্যকর করতে আমি ও আমার দলীয় নেতাকর্মী,ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য,জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সহ সকলের সঙ্গেনিয়ে উক্ত বাড়ীতে গিয়েছেন বলে দাবী করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিযোগ সূত্রে জানাযায় সোমবার রাত ৯টার দিকে ফুলগাজী উপজেলার কিসমত ঘনিয়ামোড়া গ্রামের পূর্ব শত্রæতার জেরদরে প্রতিবন্ধী ফরিদা বাহার রিনার বাড়ী ঘরের উপর হামলা করেন একদল সন্ত্রাসী। হামলার শব্দ শুনে ফরিদার দুই স্কুল পড়ৃয়া সন্তান গোয়াল ঘরে আশ্রয় নেয়। ফরিদা ঘরের ভিতর থেকে এর কারন জানতে চাইলে ফুলগাজী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল আলিম তার নিজের পরিচয় দিযে ঘরের দরজা খুলতে বলে। দরজা খুলতে বিলম্ব হলে ঘরের দরজা ভাঙ্গার চেষ্টা চালায়। দরজা খোলার পর বাইরে থাকা কয়েক সন্ত্রাসী তার উপর আক্রমন করে তাকে বিবন্ত্র করে শ্লীলতা হানি করে এবং দারালো অন্ত্রদিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় হামলাকারীরা তার স্বামিকে খুঁজতে থাকে। হামলাকারীরা স্থান ত্যাগের পর প্রতিবন্ধির স্বামী স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহত প্রতিবন্ধী গৃহবধুকে উদ্ধার করে ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। রাতে তারা থানা পুলিশের সহযোগিতা চাইলেও পাইনি বলে দাবী করেন। আহত প্রতিবন্ধী গৃহবধু মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে দাবী করেছেন।

ফুলগাজী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল আলীম  জানান রাত ৯টায় শালিশী রায় কার্যকর করতে আমি ও আমার পরিষদের সদস্য,ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য,জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সহ সকলের উপস্থিত তার পিতার ও মেয়ের পারিবারিক বিরোধ সামাধান করতে ফরিদার বাড়ীতে গিয়ে রায় কার্যকর করি। ফরিদাকে একটি ঘর থেকে বের করে পাশে^র একটি ঘরে বসবাসের ব্যবস্থা করি। তিনি হামলা ও শ্øীলতাহানির বিষয়টি সত্য নয় বলে দাবী করেছেন।

ফেনী জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজী জামাল উদ্দিন জানান উপজেলা চেয়ারম্যান,ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বাররা আমাকে সাথে নিয়ে গেছেন। আমি শুধু দুই চোখ দিয়ে দেখেছি আমার কিছুই বলার ছিলোনা।

#যতন মজুদমার।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *