নানা ভাগে বিভক্ত হয়ে খেই হারিয়ে ফেলেছেন ফেনীর সিনিয়র সাংবাদিকেরা। অদৃশ্য শক্তির ইশারায় ৫০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ফেনী প্রেসক্লাব রক্তে রঞ্জিত হয়েছে। কলংকিত হয়েছে ফেনীর সাংবাদিকতার গৌরবোজ্জল ইতিহাস।
মৌলিক সাংবাদিকতার বদলে তারা এখন মুরুব্বিদের মন জয় করতে ফুলেল শুভেচ্ছার প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়েছেন। সাংবাদিকদের গ্র“পিং এর সুযোগ নিয়া রাজনৈতিক ক্যাডার, হোটেল বয়, মাদক ব্যাবসায়ীক সহ মতলব বাজ কতিপয় লোক কার্ড বানিয়ে সাংবাদিক সেজে বসে আছে।
নিজেদের পাল্লা ভারি করতে পেশাদার সাংবাদিকগণ আপ-সাংবাদিকদের আশ্রয় পশ্রয় দিয়ে চলেছেন। সাংবাদিক নেতারা ক্ষমতার আর্শীবাদের জন্য পাগল পারা, এ সুযোগে সরকারি জমি দখল, উন্নয়ন কর্মকান্ডের নামে হরিলুট ইত্যাদি গুরুতর অন্যায় অপকর্ম আড়ালে চলে যাচ্ছে।
সাংবাদিকদের এমন স্থলনের কারণে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন সচেতন মহল। সু-শীল সচেতন সমাজ মনে করে সিনিয়র সাংবাদিক গণকে জাতীয় স্বার্থে তথা ফেনীর মার্টি মাুনষের স্বার্থে সকল হিংসা হানাহানি ভুলে এক কাতারে আসতে হবে।
একটি সার্বজনীন নীতিমালা প্রনয়ন করে কর্মরত সকল সাংবাদিকদের নিয়ে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ প্রেসক্লাব গড়ে তুলতে হবে। তবে আবার ফিরে আসবে ফেনীর সাংবাদিকতার গৌরবময় ইতিহাস।
ক্ষমতার আর্শ্বিবাদ পেতে সাংবাদিকদেরকে ফুলের তোড়া নিয়ে ছুটতে হবে না। দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জিবিত হয়ে সাংবাদিকগণ যদি আবারও মনে প্রাণে পেশাদারিত্বে ফিরে আসেন তবে ক্ষমতাবান মুরুব্বিরাই ছুটে আসবেন প্রেসক্লাবে। আমরা পুরোপুরি প্রফেশনাল প্রেসক্লাব দেখার প্রত্যাশায় রইলাম।