Main Menu

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে নৌকা প্রতিকে লড়বেন ক্লিন ইমেজের প্রার্থী অালহাজ্ব এড.জাহাঙ্গীর অালম

নিউজ ডেস্ক :

আগামী ১৫ মে নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি ভোটের লড়াইয়ে নামছেন। দলের শীর্ষপর্যায় থেকে এরই মধ্যে তাকে মনেনেয়নন দেওয়া হয়েছে। শুধু কেবল আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন ঘোষণাই বাকি ছিলো। ক্ষমতাসীন দলের দায়িত্বশীল একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গাজীপুর সিটি নির্বাচনের মনোনয়ন চুড়ান্ত করে অাজ ৮ এপ্রিল দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভা আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রাথী ঘোষণা দিয়েছেন ।

দেশের প্রায় ৩৩০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের দেশের সবচেয়ে বড় এ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের টিকিট চেয়েছিলেন চারজন। তাদের মধ্যে নৌকার প্রার্থী হওয়ার দৌঁড়ে জাহাঙ্গীর আলমের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী টঙ্গী পৌরসভার সাবেক মেয়র আজমত উল্লাহ খান । মনোনয়ন প্রত্যাশী অপর দুই প্রার্থী গাজীপুর জাসদের মহানগর সভাপতি রাশেদুল হাসান রানা ও মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কামরুল আহসান রাসেল সরকার।

দলের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সভাপতির নির্দেশে সম্প্রতি গাজীপুর এবং খুলনায় একাধিক জরিপ করা হয়। গাজীপুরের সব জরিপেই জাহাঙ্গীর আলম তার প্রতিদ্বন্দ্বী আজমত উল্লাহর থেকে এগিয়ে আছেন । তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরই তরুণদের সুযোগ তৈরি করে দিতে পছন্দ করেন। এসব কারণেই মেয়র পদে জাহাঙ্গীর আলমকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।

সূত্র আরো জানায়, গতবারের প্রার্থী আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত নেতা আজমত উল্লাহ খানকে সন্তুষ্ট রাখতে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হলে তাকে ওই সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।

গাজীপুরে সিটি করপোরেশন আগের নির্বাচনেও মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন (সমর্থন) চেয়েছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। জনসংযোগ ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে থাকার পরও তার পরিবর্তে দল থেকে মনোনয়ন পান আজমত উল্লাহ খান । ক্ষুব্ধ সমর্থকদের চাপে তিনি স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যান। শেষ মুহূর্তে দলের শীর্ষনেতাদের পরামর্শ মেনে নিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। ওই নির্বাচনে বিএপির প্রার্থী অধ্যাপক এম এ মান্নানের কাছে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাড. আজমত উল্লাহ খান পরাজিত হন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মনোনয়ন বোর্ডের এক সদস্য জানান, গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে এবার গাজীপুরের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আগেই নিয়ে রাখা হয়েছিল। জাহাঙ্গীরকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্তটাও আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে সুবিধার জন্য।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ওই নেতা বলেন, জাহাঙ্গীর আলমের জনপ্রিয়তাই তাকে প্রাথী হিসেবে এগিয়ে রেখেছেন। তাছাড়া আর্থিকভাবেও তিনি প্রতিষ্ঠিত। তৈরি পোশাকশিল্প ও প্যাকেজিং শিল্পের মালিক তিনি। মানুষকে সহযোগিতা করতে পছন্দ করেন। নিজ উদ্যোগে তিনি মেধাবীদের জন্য গাজীপুরে বৃত্তি প্রচলন করেছেন। তৃণমূল পর্যায়ের নেতারা এসব তথ্য আমাদের জানিয়েছেন। তারা প্রায় সবাই জাহাঙ্গীরের পক্ষেই কাজ করতে চান। সার্বিক দিক ভেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ৩৯ বছর বয়সী এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম ভাওয়াল বদরে আলম কলেজের ছাত্র থাকাকালীন সময় থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বর্তমানে তিনি নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদক। ২০০৯ সালে জীবনের প্রথম নির্বাচনে গাজীপুর সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুই লাখ ৯৭ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়ে তাক লাগান সবাইকে। ওই নির্বাচনে সদরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী পেয়েছিলেন মাত্র ৮৪ হাজার ভোট। জাহাঙ্গীর আবারও আলোচনায় আসেন ২০১৩ সালে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে। যদিও শেষ পর্যন্ত তিনি দলীয় প্রার্থী আজমত উল্লাহর সমর্থনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

প্রথম বারের মতো দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠেয় গাজীপুর সিটির এবারের নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার আগেই হেভিওয়েট ভিভিআইপিদের নিয়ে জাহাঙ্গীর আলম শোডাউন করেছেন।বিগত নির্বাচনের সময় থেকেই ব্যাপক জনসংযোগ, হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীকে বৃত্তিদান ও বিনয়ী ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি সবশ্রেণী ও পেশার মানুষের মাঝে নিজের চমৎকার একটি ইমেজ দাড় করিয়েছেন।গাজীপুর মহানগরে সিটি নির্বাচনে যুব সমাজ এডঃ জাহাঙ্গীর অালম কে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে গাজীপুর সিটি মেয়র হিসেবে দেখতে চান ।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *