Main Menu

দু্র্নীতিবাজ অধ্যক্ষের মামলার পর ছাত্রলীগ নেতা রনি অারো জনপ্রিয় হয়েছেন

চট্টগ্রাম ব্যুরো : দু্র্নীতিবাজ অধ্যক্ষ জাহেদের মামলার পর মহানগর  ছাত্রলীগ নেতা নুরুল অাজিম রনি অারো জনপ্রিয় হয়েছেন। শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক, ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা তাদের ব্যাক্তিগত ফেসবুক অাইডিতে রনি কে নিয়ে অাশা অাকাঙ্খা ও ভালোবাসার স্টাটাস দিয়েছেন।

জানাগেছে, চট্টগ্রামে মহানগর ছাত্রলীগের “শিক্ষা অধিকার নিশ্চিতের আন্দোলন” সাধারণ জনগণের মাঝে প্রচুর সাড়া ফেলেছে, তাদের এই আন্দোলনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অভিভাবকরা।

টিপু শিকদার নামে এক অভিভাবক তার অাইডিতে লিখেছেন, ৯৭৩ জন অভিভাবকের কাজ রনি একাই করেছেন, এজন্য সকলের পক্ষ থেকে তিনি রনিকে শুভেচ্ছা জানান।

সকল কলেজে রনি থাকলে অার কেউ শিক্ষার নামে শিক্ষার্থীর পরিবারের  রক্ত চুষতে পারবেনা।

 

বছরের শুরুতে “অতিরিক্ত ভর্তি আদায়ের” বিরুদ্ধে নগর ছাত্রলীগের ফলপ্রসূ আন্দোলনের কারণে অনেক শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানই আদায়কৃত বর্ধিত অর্থ ফেরত দেই শিক্ষার্থীদের। এছাড়া সদ্য সমাপ্ত এস এস সি পরীক্ষার রেজিস্ট্ররেশনের সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেক অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিরুদ্ধে তারা আন্দোলন করে, তাদের সেই আন্দোলনের মুখে পড়ে নগরীর বেশ-কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেই।

নগরীতে বছরের পর বছর শিক্ষার নামে বাণিজ্য করে আসছে বেশকিছু প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন, এডমিট কার্ড আটকে অভিভাবকদের জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

নগরীর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এমন অসহায়ত্ব দেখার কেউ ছিলো না, অভিভাবকরাও সন্তানের শিক্ষা জীবন ধ্বংসের ভয়ে নীরব থেকেছেন।

তবে নগরীর শিক্ষার্থীদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ, নগর ছাত্রলীগ এর আন্দোলনের ফলে নগরীর চকবাজারের একটি বাণিজ্যিক ভবনে অবৈধভাবে গড়ে উঠা “চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ” কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অতিরিক্ত প্রায় ৪৮ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছে অভিভাবকদের।

অারো জানাগেছে জাহেদ হোসেন এর পিএইচডি ভূয়া, শিক্ষা অধিদপ্তর এক গেজেট এর মাধ্যমে জানিয়েছে যে, তিনি যে প্রতিষ্ঠান থেকে পিএইচিডি করেছেন বলে দাবী করছেন তা শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত না, সুতরাং তার ডিগ্রীটি অবৈধ।

মহানগর ছাত্রলীগের এমন ইতিবাচক রাজনীতি প্রশংসা কুড়িয়েছে সর্বমহলে, নুরুল আজিম রনি’কে দেখা হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রাচীনতম ছাত্র সংগঠন “বাংলাদেশ ছাত্রলীগ” এর হারানো ঐতিহ্য ও জনমনে ছাত্রলীগের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনার পথিকৃৎ হিসেবে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *