Main Menu

কর ফাঁকির দায়ে অভিযুক্ত হা-মীম গ্রুপের কর্ণধার এ.কে আজাদ

 

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই)- এর সাবেক সভাপতি ও হামিম গ্রুপের কর্ণধার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এ কে আজাদকে আগামী ৩রা এপ্রিল ঢাকার সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে নোটিশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কমিশনের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান, ২১শে মার্চ তলবের নোটিশ এ কে আজাদকে পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, দুদকের পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে এ কে আজাদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার কর ফাঁকি দিয়ে ঘোষিত আয়ের বাইরে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগের কথা বলা হয়েছে।

এর আগে, অনুমোদিত নকশা ও বাড়ির বৈধ কাগজ না থাকার অভিযোগে হা-মীম গ্রুপের মালিক এবং এফবিসিসিআই- এর সাবেক সভাপতি ব্যবসায়ী এ কে আজাদের গুলশানের বাড়ির সামনের একটি অংশ ভেঙে দেয় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

২০ মার্চ সকাল ৯টার দিকে রাজউকের পরিচালক অলিউর রহমানের নেতৃত্বে রাজউকের টাস্কফোর্স এ কে আজাদের গুলশানের ৮৬ নম্বর সড়কের ১ নম্বর বাড়িটির রাজউক অনুমোদিত কোনো নকশা ও বৈধ কাগজ-পত্র দেখাতে না পারায় তা ভাঙতে শুরু করে। ১ বিঘা ৯ কাঠা ১৩ ছটাক জমির একাংশে তৈরি ওই দোতলা বাড়ির পার্কিং শেড, নিচতলার ওয়েটিং রুমের কিছু অংশ, দোতলার একটি বেডরুম এবং ড্রইংরুমের কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়।

জানা যায়, ভবন ভাঙার আগে গত ৭ মার্চ রাজউকের পক্ষ হতে বাড়ির মালিকের বর্তমান ঠিকানায় নোটিশ পাঠানোর পরেও তারা তাতে কর্ণপাত না করায় রাজউক এ অভিযান চালাতে বাধ্য হয়। রাজউকের এক কর্মকর্তা বলেন, অভিযানকারী দলকে এ কে আজাদের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি কাঠামোগত নকশা দেখানো হলেও সেটি রাজউকের অনুমোদিত নয়। অনুমোদিত নকশা ছাড়াই বাড়িটি নির্মাণ করা হলেও মালিক রাজউক থেকে ২ তলার অনুমোদন নিতে পারতেন কিন্তু সেটিও তিনি করেননি। রাজউকের অথোরাইজড অফিসার ভবনের নকশা দেখতে গত সপ্তাহে এ কে আজাদের ওই বাড়িতে গিয়েছিল, কিন্তু তারা নকশা দেখাতে পারেননি।

রাজউকের ভূমি শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গুলশানের ওই প্লট ১৯৬০ সালে মো. ইউনূস নামে এক ব্যক্তিকে বরাদ্দ দেয়া হয়। তার আগে ওই প্লটের মালিকানা ছিল একটি ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানের হাতে। তখন ওই দোতলা দালানে একটি স্কুল ছিল। ২০০৬ সালে হস্তান্তরসূত্রে মালিক হন ব্যবসায়ী আজাদ। কিন্তু তিনি নিজের নামে কোনো রেকর্ডও দেখাতে পারেননি। কাজেই এটি একটি অবৈধ ভবন।

এছাড়া আজাদের পরিবারের পক্ষ হতে কাঠামোগত ডকুমেন্টের সাথে ভবন ভাঙার একপর্যায়ে রাজউকের অনুমোদনের যে ডকুমেন্ট দেখানো হয় তাও ছিল ফলস, যা রাজউক কর্মকর্তারা বুঝতে পারলেও ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য অভিযান আপাতত স্থগিত রাখেন।

উল্লেখ্য, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের নিকট থেকে সকল রকমের সুবিধাভোগী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এ কে আজাদ হা-মীম গ্রূপের কর্ণধার ও একই সাথে জাতীয় দৈনিক `দৈনিক সমকাল` এবং টিভি চ্যানেল `চ্যানেল টোয়েন্টিফোর`- এরও কর্ণধার। তিনি বর্তমানে রাজনীতিতে সক্রিয় হবার চেষ্টা করছেন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *