Main Menu

ডাবর ব্রিজ সংলগ্ন বাঁধের কাজে অনিয়ম

 

আলাল হোসেনঃ

দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ডাবর ব্রিজ সংলগ্ন বাঁধের কাজে ব্যপক অনিয়ম দেখা গেছে। বাঁধে মাটি ফেলা, স্লোভ তৈরি, দুরমুজসহ ড্রেসিং-এর কাজ কিছুই শেষ হয়নি। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ তারিখে সকল কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কাজটি চলতি মাসের ভিতরে শেষ হবে কি না তাতেও শংসয় দেখা দিয়েছে। যদি সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে পার্শবর্তী এ বাঁধ ভাঙ্গে তাহলে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, সুনামগঞ্জ সদর, ছাতক ও দোয়ারা বাজার উপজেলার শস্য ভাণ্ডারখ্যাত দেখার হাওরের ধান পানিত তলিয়ে যেতে পারে। এ বাঁধের কাজ সময় পেড়িয়ে গেলেও শেষ না হওয়ায় শঙ্কা প্রকাশ করেন কৃষকেরা।

 

বৃহস্পতিবার বিকালে বাঁধে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডাবর ব্রিজের মুখ থেকে জলিলপুর হয়ে ইনাতনগর মৎস খামার পর্যন্ত ২০ নং পিআইসির সভাপতি পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য আলী আহমদ। ব্রিজ থেকে জলিলপুর পর্যন্ত কাজ করানো হয়েছে ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ এ কাজের। যা মোট কাজের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ হবে। বাকী কাজ টুকু রয়ে গেছে ঘোর অন্ধকারে। মাটি ভরাটের প্রায় অর্ধেক কাজ বাকী, মাটি পড়া অংশের স্লোভ দেওয়া হয়নি, ড্রেসিং-এর কাজ প্রায় অধিকাংশই বাকী। বাকী কাজ টুকু কবে নাগাদ শেষ হতে পারে এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর পিআইসির কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। তারা জানান, বাঁধটি জেলা প্রশাসক সাবিরুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ পরিদর্শন করেছেন। বাঁধের কাজে কোনো অনিয়ম নেই বলে দাবী করেন তারা। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক, সুনামগঞ্জ সদর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তেরাব আলী এ প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের কাজ আমরা করে যাচ্ছি। সবাই দেখে গেছেন। বাঁধের বাকী কাজ এখনো সম্পন্ন হয় নি- এমন প্রশ্নে কোনো সুষ্ঠু উত্তর তিনি দেননি। বরং প্রতিবেদকের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

 

প্রকল্পের সভাপতি পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য আলী আহমদ বলেন, আমরা কাজ করছি। আশা করছি আগামী ১০ দিনের মাথায় কাজটি শেষ করতে পারবো। ১৫ তারিখ পর্যন্ত দ্বিতীয় মেয়াদে কাজের সময় সময়সীমা পেরিয়ে যায় কি না সে প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করবো বর্ধিত সময়ের ভিতরেই কাজটি শেষ করতে পারবো।

 

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আমরা সবার কাছ থেকেই কাজ উদ্ধার করবো। সম্পূর্ণ কাজ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ বিল একজন মানুষও পাবেনা। আমরা এ ব্যপারে যতেষ্ট সজাগ আছি। দেখছি, কাজে অনিয়ম হলে তাকে আইনের আওতায়ও নিয়ে আসছি। আমি ডাবরের কাজটি দেখবো।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *