Main Menu

ফুলবাড়ীতে সেতু আছে সড়ক নেই !

 

অাফজাল হোসেন :কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের বারোমাসিয়ার ছড়ায় উপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। শরণকালের শ্রেষ্ঠ বন্যায় সেতুটির দুই পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে গেছে। বর্তমানে ওই সেতুটি থেকেও কাজে আসছে না এলাকাবাসীর। সেতুটি প্রায় এক বছর আগে ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। বন্যায় সেতুটির দুই পাশে রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ায় এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে পড়েছে। যেন দেখার কেউ নেই।

এলাকাবাসী নবির উদ্দিন(৫০),আসাদুল ইসলাম(৩০),আছমত আলী(৪৫) শাহার উদ্দিন(৬০)পরিমল চন্দ্র রায় জানান,র্দীঘদিনের প্রাণের দাবী ছিল এই সেতুটি। এই সেতু দিয়ে চর-গোরকমন্ডল এলাকার লোকজন সহজেই বালারহাট বাজার হয়ে ফুলবাড়ী সদরের পৌছেন। সে কারণে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু/কালর্ভাট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ওই বারোমাসিয়া ছড়ার ওপর দিয়ে ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। সেতুটি নির্মান হওয়ায় উপজেলার আনন্দবাজার,চর-গোরকমন্ডল,কলির চর,খোরচর,চর-খারুয়া কান্দাপাড়া,জাউকুটি,জামাকুটি,চর,পেঁচাই,বাঘের চর এলাকাবাসীর একমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়।

তাই ওই সব এলাকার লোকজন ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাসহ সেতু দিয়ে চলাচল করে আসছে। এমন কি ওই এলাকার কোন রোগি অসুস্থ হলে তাকে দ্রুত সময়ে ফুলবাড়ী হাসপাতালে আনা যেত। এবারের ভয়াভহ বন্যায় সেতুর দুই পাশে সমস্ত রাস্তাঘাট ভেঙ্গে গেছে। বর্তমানে দাড়িয়ে আছে সেই কাংক্ষিত সেতুটি। বন্যায় রাস্তা –ঘাট ভেঙ্গে যাওয়া প্রায় ৬ থেকে ৭ মাস অতিক্রম হয়েছে। এখনো ওই এলাকার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তাঘাট ঠিক করছে না প্রশাসন। যেন দেখার কেউ নেই। তাই ওই এাকার মানুষজন আগের মতই দুর্ভোগ পোয়াতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুসাব্বের আলী মুসা জানান,অনেক প্রচেষ্টার ফলে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এ বারের ভয়াভহ বন্যায় এভারে রাস্তা-ঘাট ভেঙ্গে এটা কল্পনার অতীথ। বর্তমানে ওই এলাকার মানুষজন অনেক কষ্টে নিচ দিয়ে চলাফেরা করছে। এই ইউনিয়নে এখনো প্রায় ৮ কিলোমিটার সড়ক ভাঙ্গা। বন্যার পরে পরেই প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে তারা জানান খুব শ্রীঘেই ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু হবে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সবুজ কুমার গুপ্ত বলেন, ওই সময় সেতুটি নির্মাণ করে দিয়েছেন একটি ঠিকাদান প্রতিষ্ঠান। এ বারের বন্যায় সেতুর সংযোগ সড়কটি দুই পাশে ভেঙ্গেছে। বিষয়টি তালিকা করে উদ্ধতন কর্তৃক পক্ষে জানানো হয়েছে। বর্তমানে কোন বরাদ্দ নেই। সামনে কাবিখা ও কাবিটা বরাদ্দ আসলে পূর্ণ সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *